অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৬ | ২১শে চৈত্র ১৪৩২


দৌলতখানে ১০৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন


দৌলতখান প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩০শে মার্চ ২০২৬ সকাল ১০:২৩

remove_red_eye

৫০

দৌলতখান প্রতিনিধি : ভোলার দৌলতখান উপজেলায় ১০৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬) সকালে উপজেলার পশ্চিম রামরতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত হয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভোলা-২  আসনের সংসদ  আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দৌলতখান উপজেলা শাখার সভাপতি আবদুল মান্নান মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সাজুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজেইউএস)-এর পরিচালক (মাইক্রোফাইন্যান্স) মো. মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহিদ উদ্দিন 
অনুষ্ঠান  পরিচালনা  করেন জিজেইউএস-এর এরিয়া ইনচার্জ প্রিয়লাল মণ্ডল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম, ও নজরুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক মো. মজির উদ্দিন ও মাহাবুব আলম, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফকরু আলম টপি, ভবানীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম কিবরিয়া স্বপন , উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ফরহাদ হোসেন নোমান, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাই, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশীদ, নির্বাহী সভাপতি শহিদুল আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরে আলম, গ্র্যাজুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবদুল খালেক, দৌলতখান প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাকির আলম রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃরাশেদ খান এবং জিজেইউএস-এর শাখা ইনচার্জ জান্নাত আক্তার ইভা।
বক্তারা বলেন, নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার পেলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ত্বরান্বিত হবে এবং বিদ্যালয়ের প্রতি তাদের আগ্রহও বাড়বে।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত এ স্কুল ফিডিং কর্মসূচির বাস্তবায়ন করছে গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজেইউএস)। উপজেলার ১০৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচির আওতায় আসবে।
স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য এটি একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ, যা তাদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে উৎসাহিত করবে।