অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৬ | ২১শে চৈত্র ১৪৩২


ভোলায় শেষ হলো প্রখ্যাত সাধক অনিল বাবাজির ৫ দিনের উৎসব ও মেলা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ১২:২৮

remove_red_eye

৯১

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার তজুমদ্দিনে শেষ হয়েছে দেশের দক্ষিনাঞ্চলের প্রখ্যাত সাধক প্রভূপাদ শ্রী শ্রী অচ্যুতানন্দ ব্রক্ষ্মচারী ( অনিল বাবাজি)’র ২৭তম তিরোধান উৎসব ও ৫ দিনের মেলা।
মঙ্গলবার সকালে প্রার্থনার মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি টানা হয়। সাধক অনিল বাবাজি তজুমদ্দিন উপজেলার শুম্ভুপুর ইউনিয়নে  জন্মগ্রহণ করেন ও চাঁদপুর ইউনিয়নের আড়ালিয়া গ্রামে ইহলোক ত্যাগ করেন। আর এই দুই গ্রামেই উৎসবের আয়োজন করা হয়। এই উৎসবকে ঘিরে এক কিলোমিটার মাঠ জুড়ে বসে গ্রামীণ মেলা। মেলায় সকল ধর্মের মানুষ ভিড় ছিল দেখারমত। এ উৎসবে দেশে বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি ভারত আমেরিকা থেকেও ভক্তরা ছুটে আসেন। অনুষ্ঠানে ৪০ প্রহর মাহানাম যজ্ঞ, ১২ দলের কীর্তন, প্রার্থনা আর আরতিতে অংশ নেন লাখ ভক্ত। 
আড়ালিয়া মন্দিও চত্বরে স্থাপন করা হয় দৃষ্টিনন্দন নববৃন্দাবন। সেখানে সত্য, ত্রেতা, দাপর ও কলি’ এ চার যুগের কয়েকশ দেব দেবীর প্রতীকি প্রতিমা স্থাপন করা হয়। স্থাপন করা হয় অগ্নিকুন্ডলী। পূণ্য লাভের আশায় ভক্তরা এই কুন্ডলী পরিদর্শণ করেন। অপরদিকে মেলায় তৈরী পোষাক , ফার্নিচার, জুয়েলারিসহ রকমারি দোকান বসে। নিথ্যপণ্যের জিনিস কিনতে দর্শনার্থীরা মেলায় ছুটে যান। প্রতিদিন কয়েকশ বাস , মাইক্রোবাস, অটো রিকশা নিয়ে ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ৫ দিনের উৎসবে ছুটে যান। ফলে হাজারো ভক্তের ভিড় সামাল দিতে প্রশাসের পুলিশ, গ্রাম পুলিশের পাশাপাশি ছিল শতাধিক স্বেচ্ছাসেক।
আয়োজক কমিটির সম্পাদক লোকেশ দে জানান, এই উৎসব এখন সম্প্রীতির উৎসবে পরিনত হয়েছে। সব ধর্মের মানুষ এখানে ছুটে আসেন। উৎসবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী  মেজর অবঃ হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম। উপজেলা বিএনপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা মিন্টু জানান, উৎসেবর প্রথম দিন থেকেই তারা উৎসব এলাকা পরিদর্শণ করেন। সার্বিক সহযোগিতা করেন। মঙ্গলবার ভোরে আরতি শেষে  উৎসবের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।