হাসনাইন আহমেদ মুন্না
প্রকাশিত: ৩০শে জানুয়ারী ২০২৩ রাত ০৯:২০
২৬০
হাসনাইন আহমেদ মুন্না: জেলার ৭ উপজেলায় চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রার চাইতে এক হাজার ৫’শ ৫০ হেক্টর জমিতে বেশি সরিষার আবাদ হয়েছে। সয়াবিন তেলের উপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশিয় সরিষার উৎপাদন বৃদ্ধি করার সরকারের বিশেষ উদ্যোগ জেলায় সরিষার আবাদ বাড়িয়েছে। জেলায় সরিষার আবাদ বৃদ্ধি করতে ১০ হাজার ২’শ কৃষককে বিনামূল্যে বীজ-সার প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ সেবা দেয়া হচ্ছে।
জেলায় এবছর ৬ হাজার ৫’শ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আবাদ সম্পন্ন হয়েছে ৮ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে। যা থেকে ৭ হাজার ৮’শ মেট্রিকটন সরিষা উৎপাদনের প্রত্যাশা কৃষি বিভাগের। তাই দেখা যায় বিভিন্ন বিস্তৃত প্রান্তর হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে। কাঁচা সরিষা ফুলের মন জুড়ানো দৃশ্যে হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে।
কৃষকরা জানায়, জেলায় সাধারণত বারি-১৪, বারি-১৫, বারি-১৬, বারি-১৭, বারি-১৮, বিনা সরিষা-৯, বিনা সরিষা-৪ জাতের আবাদ বেশি করা হয়। আমন ও বোরো ধানের মাঝামাঝি সময়ে চাষ হওয়া সরিষা জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। সরিষার পাতা থেকে সৃষ্ট জৈব সার ধানের পুষ্টি জোগান দেয়। বীজ বোপনের পর থেকে সর্বোচ্চ ৮০-৯০ দিনের মধ্যে ফসল ঘরে তোলা যায়। প্রথম দিকে আগাছা পরিস্কারের কাজ ছাড়া তেমন পরিশ্রমও হয়না সরিষা চাষে। তাই স্বল্প সময়ে চাষ সম্ভব বলে অনেক চাষিই সরিষায় আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের কৃষক ফরিদ হোসেন বলেন, সরিষা চাষে বিঘা প্রতি ৩ হাজার টাকা খরচ হয়। আর প্রতি বিঘা জমিতে সরিষার ফলন আসে ৬-৭ মন। যার বাজার মূল্য ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা। সে হিসাবে কৃষকের বিঘাপ্রতি ৯ থেকে ১১ হাজার টাকা লাভ হয়। অপর কৃষক জাহাঙ্গির হোসেন ও মোস্তাফিজ রহমান বলেন, যে জমিতে সরিষার আবাদ হয়, সেখানে ধান ভালো হয়। এছাড়া সরিষার গাছ শুকালে জ¦ালানি হিসাবে ব্যবহার করা যায়। তাই এটি একটি লাভজনক ফসল।
কৃষি অফিস জানায়, জেলার মোট আবাদকৃত সরিষার জমির মধ্যে সদর উপজেলায় আবাদ হয়েছে ১২’শ ২০ হেক্টর, দৌলতখানে ৫’শ ৯০ হেক্টর, বোরহানউদ্দিনে ৬’শ ৬০ হেক্টর, লালমোহনে ১৫’শ ৫৭ হেক্টর, তজুমদ্দিনে ১২’শ ৮০ হেক্টর, চরফ্যাশনে ২৫’শ ৬৩ ও মনপুরায় উপজেলায় ১’শ ৮০ হেক্টরসহ মোট ৮ হাজার ৫০ হেক্টর সরিষার আবাদ হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো: হাসান ওয়ারিসুল কবীর বাসস’কে জানান, জেলায় সরিষার প্রণোদনা দেয়া হয়েছে ১০ হাজার ২’শ কৃষককে। প্রত্যেককে এক কেজি বীজ এবং ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় এক বিঘা জমির অনুকলে ৫’শ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সরিষার। নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে সরিষা রোপন করা হয়েছে। ফেব্রæয়ারির মাঝামাঝি সময়ে কৃষকরা ফসল ঘরে তুলবে।
তিনি আরো জানান, আমাদের মাঠ পর্যায়ের কৃষি অফিসাররা চাষিদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। সব কিছু ঠিক থাকলে জেলায় সরিষার বাম্পার ফলনের কথা জানান তিনি।
জিজেইউএসের মাঠকর্মীদের সতেজীকরণ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নবজাতক শিশু রেখে চলে গেলেন মা
মানুষের সমর্থন পেয়েছি, এখন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পালা: প্রধানমন্ত্রী
নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সহযোগিতায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বিএনপিসহ দলের তিন অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী
কলেজ শিক্ষার্থী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী
কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার লাইফ সাপোর্টে
দরকষাকষিতে ঝুলে আছে বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রিত্ব
দেশের ক্ষতি হলে নীরবে বসে থাকব না: জামায়াত আমির
সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫০,১১১ বাংলাদেশি হজযাত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক