বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৫ই সেপ্টেম্বর ২০২২ রাত ০৯:৪৯
৩৬৫
বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদকঃ মো. ইউনুছ ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি পেশায় দিন মজুর। গত ২০২০ সালে শখের বসে নিজের জমানো টাকার সাথে অন্যের কাছ থেকে সুদে আরো ছয় হাজার টাকা নিয়ে রিয়েলমি সি-৩ মডেলের একটি স্মার্ট ফোন কিনেন। কিন্তু কেনার কয়েকদিন পরেই মোবাইলটি হারিয়ে যায়। পরে তিনি ভোলা সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। এ ডায়েরীর আলোকে ভোলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশ সদস্যরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত আগস্ট মাসের শেষের দিকে মোবাইলটি উদ্ধার করেন। মোবাইল উদ্ধারের খবরে বেশ আনন্দিত মোবাইলের মালিক মো. ইউনুছ।
তিনি জানান, হারানোর পর তিনি ভেবেই নিয়েছেন মোবাইলটি আর পাবেন না। তারপরও মানুষের কথায় তিনি মোবাইলের আইএমই নাম্বার দিয়ে ভোলায় থানায় জিডি করেছেন। জিডির দুই বছর পার হলেও মোবাইলের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় তিনি মোবাইলের আশা একেবারে ছেড়েই দিয়েছেন। কিন্তু গত মাসের শেষের দিকে থানা থেকে তার কাছে ফোন আসে যে, তাঁর হারানো ফোনটি পাওয়া গেছে। এ খবরে তিনি অনেক খুশি হয়েছেন। সোমবার (০৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে ভোলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের হাত থেকে মোবাইলটি বুঝে নিয়েছেন ইউনুছ। একই সময়ে তাঁর মতো আরো ৮জন হারিয়ে যাওয়া মোবাইল বুঝে নিয়েছেন পুলিশ সুপারের কাছ থেকে। এরা হলেন- সদর উপজেলার ইলিশা তুলাতুলি এলাকার মো. রকিব, পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের মো. নিরব, একই ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপাতা গ্রামের মো. হারুন, উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের অলিউল ইসলাম রনি, ইলিশা ইউনিয়নের মো. রকিব, বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মো. সিরাজুল ইসলাম, ভোলার পুলিশ সদস্য মো, এনায়েত হোসেন, ও মো. শাহাদাত হোসেন।
ভোলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, গত ২১ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন যায়াগায় অভিযান চালিয়ে এ ৯টি মোবাইল উদ্ধার করে জেলা গোয়ন্দা শাখার পুলিশ সদস্যরা। এর মধ্যে ৭টি স্মার্ট ফোন বাকী দুইটি ফিচার ফোন। তবে পর্যায়েক্রমে এর সাথে জড়িতদেরও আটকের চেষ্টা চলছে। এদিকে এতো অল্প দিনের ব্যবধানে ৯টি মোবাইল উদ্ধার করায় উদ্ধারকারী দলের পুলিশ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, মোবাইল কেনার ব্যাপারে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। দোকান ও ক্রয় রশিদ ছাড়া কোনো মোবাইল বেচা-কেনা থেকে বিরত থাকতে হবে। মোবাইল হারিয়ে গেলে সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরী করতে হবে। হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধারসহ সাইবার ক্রাইম, সাইবার বুলিং ও তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি আলাদা ‘সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল’ গঠন করা হয়েছে। এ সেল থেকে সকলকে সেবা নেয়ার জন্য আহবান জানান পুলিশ সুপার।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভোলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. আসাদুজ্জামান, জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মো. এনায়েত হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউল হক প্রমূখ।
জিজেইউএসের মাঠকর্মীদের সতেজীকরণ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নবজাতক শিশু রেখে চলে গেলেন মা
মানুষের সমর্থন পেয়েছি, এখন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পালা: প্রধানমন্ত্রী
নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সহযোগিতায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বিএনপিসহ দলের তিন অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী
কলেজ শিক্ষার্থী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী
কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার লাইফ সাপোর্টে
দরকষাকষিতে ঝুলে আছে বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রিত্ব
দেশের ক্ষতি হলে নীরবে বসে থাকব না: জামায়াত আমির
সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫০,১১১ বাংলাদেশি হজযাত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক