অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭ই আশ্বিন ১৪২৮


ভোলায় ৬৮ ইউনিয়ন ও ৩ পৌরসভার ৯৫টি কেন্দ্রে গণ-টিকার কার্যক্রম শুরু


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৮ই আগস্ট ২০২১ সকাল ০৬:২০

remove_red_eye

৮৬

গণটিকা নিতে বিড়ম্বনা পোহাতে হয়নি  মানুষের : জেলা প্রশাসক 

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক :
ভোলায় বৃষ্টি উপেক্ষা করেও শনিবার সকাল থেকে প্রতি কেন্দ্রে ভীড় জমান গণটিকা প্রার্থীরা। তবে একদিন আগে নিবন্ধন কাজ শেষ হওয়ার পরও,  টিকা প্রার্থীদের বিড়ম্বনা পোহাতে হয় নি। সকাল ৯টায় থেকে জেলার ৬৮ ইউনিয়ন ও ৩ পৌর এলাকার ৯৫টি কেন্দ্রে গণ-টিকার কার্যক্রম শুরু হয়। শনিবার সকালে বাংলাবাজার ফাতেমা খানম মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে টিকা কার্যক্রম পরিদর্শণ কালে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিক ই লাহী চৌধুরী। এসময় পরির্দশন দলে ছিলেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার , সিভিল সার্জন ডাঃ কেএম শফিকুজ্জামান । এছাড়া উপস্থিত ছিলেন  ফাতেমা খানম কলেজ অধ্যক্ষ সুশান্ত কুমার মন্ডর, ইউপি চেয়ারম্যান ইফতারুল হাসান স্বপন। 
এর আগে ঢাকা থেকে টেলিকনফারেন্সে যুক্ত হয়ে পৌরসভার টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র মোঃ মনিরুজ্জামান। এসময় কাউন্সিলর শাহে আলম ও কাউন্সিলর সালাউদ্দিন লিংকন পৌর এলাকায় কার্যক্রম তদারকি করেন। 
এ ছাড়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সম্পাদক জহরুল ইসলাম নকিবসহ অপর একটি টিম কাচিয়া ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় এ কার্যক্রম সফল করতে তদারকি করেন। 
জেলায় প্রথম ধাপে টিকা নেন  ৪৬ হাজার ২শ জন। সকাল সাড়ে ১১ টায় ফাতেমা খানম মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র হাসপাতালে ৮০ বছরের বৃদ্ধকেও গণ টিকা নিতে দেখা যায়। এ সময় হাটতে না পারা  মালেকা বেগম নামের বৃদ্ধাকে তার নাতি কোলে করে নিয়ে আসেন টিকা দেয়ার জন্য। 
জেলা প্রশাসক জানান,  তারা এক দিন আগেই সকল কেন্দ্রে টিকা প্রার্থীদের নিবন্ধন শেষ করতে পেরেছেন বলেও  সকাল থেকে টিকা নিতে পেরেছেন গ্রামের সাধারন মানুষ । তালিকা অনুযায়ী সবাই টিকা নেন। এদিকে টিকা নেয়ার পর সরকার প্রধান শেখ হাসানকে এমন গণটিকা কার্যক্রম নেয়ার কৃতজ্ঞতা জানান  ৭৫ বছর বয়সী আব্দুর রাজ্জাক, ৭০ বছর বয়সী মনির হোসেনসহ বেশ কয়েকজন বৃদ্ধ ।