অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২৫শে জুলাই ২০২১ | ১০ই শ্রাবণ ১৪২৮


ভোলায় করোনা প্রতিরোধে টিকা গ্রহণে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে


হাসনাইন আহমেদ মুন্না

প্রকাশিত: ১২ই জুলাই ২০২১ রাত ১০:০৯

remove_red_eye

৪১


২৩ দিনে টিকা  নিয়েছেন  ১৭২৯ জন

হাসনাইন আহমেদ মুন্না : জেলায় করোনার টিকা গ্রহণে মানুষের লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত সদর হাসপাতালের ২টি বুথে সারিবদ্ধভাবে টিকা নিতে দেখা গেছে। দ্বিতীয় দফায় শুরু হওয়া চিনের সিনোফার্মের টিকা প্রদান জেলায় গত ১৯ জুন থেকে শুরু হয়ে ১১ জুলাই পর্যন্ত ১৭২৯ জন নিয়েছেন। এর মধ্যে নারী ৭২৬ জন ও পুরুষ ১ হাজার ৩ জন। আর জেলায় প্রথম ডোজের জন্য এই টিকার বরাদ্দ এসছে ৪১ হাজার ৬০০ ডোজ। প্রত্যেক বুথে টিকা প্রদানে ২ জন স্বাস্থ্য কর্মীর পাশাপাশি রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্যরা সহায়তা করছেন।
জেলা সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা: মো: সিরাজ উদ্দিন জানান, দি¦তীয় দফায় আসা টিকা গ্রহণে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। গতকাল টিকা নিয়েছেন ৭৩৬ জন ও তার আগের দিন পেয়েছেন ৬০৯ জন। সিনোফার্মার টিকার মধ্যে সবগুলোই প্রথম ডোজ হিসাবে প্রদান করা হবে। যেহেতু টিকা আসা শুরু হয়েছে তাই সামনের দিনে এর কোন সমস্যা হবেনা। মোট টিকার মধ্যে সদর উপজেলার জন্য এসেছে ১৪ হাজার ৪০০ ডোজ। বাকি ৬ উপজেলার জন্য ২৭ হাজার ২০০। উপজেলা পর্যায়ের টিকা প্রদান কার্যক্রম আজ থেকে শুরু করা হবে।
সরেজমিনে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, টিকা নিতে প্রচুর মানুষের উপস্থিতি। নারী-পুরুষ পৃথক লাইনে দাড়িয়ে টিকা গ্রহণ করছে। সকাল ৯ টার পূর্বেই টিকা প্রাপ্তীর জন্য লাইনে দাড়িয়েছে শতাধীক মানুষ। সোমবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত টিকা পেয়েছেন সাড়ে ৩০০ মানুষ।
রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সেচ্ছাসেবক মো: আরিফুর রহমান বলেন, গত ২ দিন যাব এখানে টিকা নিতে আসা মানুষের চাঁপ বাড়ছে। প্রত্যেক বুথে আমরা ২ জন সেচ্ছাসেবক কাজ করছি। আমরা মূলত মানুষজনকে সু-শৃঙ্খলভাবে লাইনে দাড় করানো, রেজিস্ট্রেশন ফরমে ত্রæটি থাকলে সংশোধনসহ সর্বাত্বক সহযোগিতা করছি।
সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের বালিয়া গ্রাম থেকে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো: সেলিমউদ্দিন স্ত্রী নিয়ে টিকা দিতে এসেছেন। তিনি বলেন, তারা টিকা নিয়েছেন। কোন ব্যাথা বা সমস্যা হয়নি। অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশে টিকা প্রদান চলছে। সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে এমন আয়োজনের জন্য সরকাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
এদিকে জেলায় চলতি বছরের ৭ ফেব্রæয়ারি ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনকার টিকা প্রদান শুরু হয়। এই টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ গ্রহিতা ২৮ হাজার ৯৪৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৯ হাজার ৯৩২ ও নারী ৯ হাজার ১২ জন। এছাড়া শুধুমাত্র প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ১৫ হাজার ৫৫৩ জন।