অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১৮ই জুন ২০২১ | ৪ঠা আষাঢ় ১৪২৮


ভোলায় ৩২ টি ব্রীজ নির্মাণের কাজ ৯০ ভাগ সম্পন্ন


হাসনাইন আহমেদ মুন্না

প্রকাশিত: ১০ই জুন ২০২১ রাত ১০:১৭

remove_red_eye

৩৩

ব্যায় হবে ৪৭ কোটি টাকা

হাসনাইন আহমেদ মুন্না : ভোলার জেলার ৪টি উপজেলায় ৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩২ টি ব্রীজ নির্মাণের কাজ শেষের দিকে। ইতোমধ্যে এসব সেতুর ৯০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের আয়রণ ব্রীজ পূর্ণবাসন প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এসব ব্রীজ নির্মাণের কাজ বাস্তবায়ন করছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এসব ব্রীজের কাজ সম্পন্ন হবে বলে জেলা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আব্দুর রাজ্জাক এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, ২০২২ সালের মধ্যে এসব সেতুর কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হচ্ছে। ব্রীজগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ দৈর্ঘ ৫১ মিটার এবং সর্বনি¤œ ১২ মিটার রয়েছে। এর মধ্যে চরফ্যাসন উপজেলায় রয়েছে ৫টি, লালমোহনে ৯টি, তজুমোদ্দিনে ১১টি ও বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ৭টি ব্রীজ রয়েছে। সার্বক্ষণিক তাদের তদারকির মাধ্যমে কাজের গুণগত মান শতভাগ বজায় রেখেই কাজ হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, এসব ব্রীজ নির্মাণ সম্পন্ন হলে সাধারণ মানুষের জীবন মান উন্নতসহ সার্বিক জীবন যাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এছাড়াও এই প্রকল্পের আওতায় ভোলা সদর উপজেলায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯ টি ব্রীজের অনুমোদন পাওয়া গেছে। বর্তমানে যার টেন্ডার পক্রিয়া চলছে।
এদিকে ব্রীজ নির্মাণের ফলে স্থানীয়রা আনন্দ প্রকাশ করেছে। তারা বলছেন, এক সময় বাশের সাঁকো, কাঠের সেতু, পুরাতন ভাঙ্গা সেতু কিংবা নৌকাযোগে তাদের ছোট নদী বা খাল পারাপার করতে ভোগান্তির শেষ থাকতোনা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বেশি দূর্ভোগ পোহাতে হতো। এখন আর সেই সমস্যা থাকছেনা।
তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়ন পরিষদ (শশিগঞ্জ বাজার) হইতে ছোট ডাওরি ভায়া মাদ্রাসা রোড পর্যন্ত ১ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৫ মিটার দৈর্ঘের একটি ব্রীজ নির্মাণ শেষের দিকে। খালের উপর নির্মিত সেতুটি ৯৯ ভাগ কাজ শেষ। আগে এখানে একটি পুরাতন ভাঙ্গা ব্রীজ ছিলো।
এই এলাকার বাসিন্দা লোকমান হোসেন ও রফিক হাওলাদার বলেন, আগে ভাঙ্গা ব্রীজ দিয়ে চলাচলে নানান সমস্যা হতো। যান চলাচলে বেশি সমস্যা হতো। নতুন ব্রীজ হওয়ায় তাদের সেই সমস্যা আর নেই। ঝুঁকি কমে জীবন আরো সহজ হয়েছে। নির্বিঘœ হয়েছে বিভিন্ন ধরনের যান চলাচল।