বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০শে মে ২০২৬ সকাল ১০:৩৭
২২২
বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক : ভোলা সদর ও চরফ্যাশন উপজেলা মৎস্য অফিসের সমন্বয়হীনতায় পথে বসেছেন ভোলার চরফ্যাশনের ১২মৎস্য ব্যবসায়ী। নদীর ইলিশকে সমুদ্রের ইলিশ দাবি করে প্রায় এক কোটি টাকার মাছ এতিমখানা ও অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় ব্যবসায়ীরা তাদের মাছের ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।
মঙ্গলবার (১৯মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ করেন চরফ্যাশন উপজেলার সামরাজ ঘাটের মাছ ব্যবসায়ীরা।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. ফারুক পাটওয়ারী।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ১২মে সামরাজ মাছ ঘাট থেকে ১২জন ব্যবসায়ীর ৭হাজার ৯১৩কেজি মেঘনা নদীর ইলিশ দুই ট্রাকে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করে। মাছগুলো যাচাই-বাছাই করে চরফ্যাশন উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে সামরাজ মৎস্য ঘাটের ব্যবসায়ী মোশারেফ হোসেন ও নতুন স্লুইজ ঘাটের ব্যবসায়ী কামাল হোসেনকে মাছ পরিবহনেী অনুমতিপত্র দেন। সেই অনুমতি পত্র নিয়ে ট্রাকে করে মাছ ঢাকা নেওয়ার পথে ভোলা সদর মৎস্য কর্মকর্তা ও কোস্ট গার্ড মাছের ২টি গাড়ি জব্দ করে রেখে দেয়। পরদিন ১৩মে সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভুঁইয়া মেঘনা নদীর মাছগুলোকে সামুদ্রিক মাছ বলে চিহ্নিত করেন এবং সেগুলোকে অবৈধ মাছ হিসেবে কিছু মাছ স্থানীয় এতিমখানায় ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করেন। বাকী মাছ কি করেছে তা তারা (ব্যবসায়ীরা) জানেন না। 'মাছ গুলো নদীর হওয়ায় চরফ্যাশন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ছাড়পত্র দিয়েছেন'
ব্যবসায়ীরা এ কথা মৎস্য কর্মকর্তা কে বার বার জানানোর পরও তারা কোনো কথা শোননি বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
লিখিত বক্তব্যে আরো জানন, মাছগুলো তারা সামরাজ মৎস্য ঘাটের আড়ৎ এবং জেলেদের কাছ থেকে ক্রয় করে এনেছেন। কিন্তু ভোলা সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার খামখেয়ালীর কারণে তারা ব্যবসায়ীগণ ব্যাপক আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত এবং মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সামরাজ ঘাটের মাছ ব্যবাসায়ীদের সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন জানান, জব্দকৃত ইলিশের মধ্যে তার ১৪লাখ টাকার ইলিশ ছিলো। তার মতো আরো ১১জন ব্যবসায়ী মাছ ছিলো। জেলেরা মেঘনা নদী থেকে এ ইলিশ ধরেছেন। মাছগুলো সামরাজ ঘাট থেকে তারা কিনে ঢাকার মোকামে পাঠাচ্ছিলেন। যেহেতু সাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে তাই তারা পথে পথে প্রশাসনের হয়ারানি থেকে বাঁচতে স্থানীয় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কাছ থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন। তিনি তার অফিসের লোক দিয়ে মাছগুলো যাচাই-বাছাই করে ছাড়পত্র দিয়েছেন। কিন্তু সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সম্পূর্ণ খামখেয়ালীভাবে নদীর মাছকে সমুদ্রের মাছ বলে ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি করেছেন। তাই তারা আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
ভুক্তভোগী মো. বাবুল বেপারী জানান, তিনি ধারদেনা করে এই প্রথম ২৭লাখ টাকার মাছ কিনে ঢাকার মোকামে পাঠাচ্ছিলেন। কিন্তু তার মাছগুলো জব্দ করায় তিনি এখন পথে বসেছেন। মানুষের দেনার চাপে এখন তিনি ঘাটেও যেতে পারছেন না।
ব্যবসায়ীদের দাবি প্রত্যাখান করে সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান ভুঁইয়া জানান, জব্দকৃত মাছগুলো শতভাগ সামুদ্রিক ইলিশ ছিলো। যেহেতু অনেক দিন নদীতে তেমন ইলিশ ধরা পড়ছে না এবং মাছগুলোর আকার আকৃতিতেও সমুদ্রের বলে প্রতিয়মান হয় তাই তিনি এগুলোকে সামুদ্রিক মাছ হিসেবে সার্টিফাই করেছেন।
লালমোহন উপজেলা ও পৌরসভার ছাত্রদলের কমিটি হওয়ায় আনন্দ মিছিল
লালমোহনে অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
বোরহানউদ্দিনে ১০০ পিস ইয়াবা ও ৪৮,৫০০ টাকা উদ্ধার, মা’দক ব্যবসায়ী আটক
ভোলায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে শানে সাহাবা জাতীয় খতীব ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
মনপুরায় ইউপি মেম্বারকে পিঠিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার-২
দৌলতখানে পুকুর থেকে প্রতিবন্ধী যুবকের মরদেহ উদ্ধার
যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
গণতন্ত্র একটি সংস্কৃতি যা নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধাপে ধাপে তৈরি হয় : রাষ্ট্রপতি
এশিয়ান গেমসে ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে কমিটি গঠনের নির্দেশ
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত