অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


চরফ্যাসনের পিআইও ওয়ালিউল ইসলাম জেল হাজতে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০শে মে ২০২৬ সকাল ১০:২২

remove_red_eye

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : প্রকল্পের কাজ না করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগে ভোলা চরফ্যাশন উপজেলার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. ওয়ালিউল ইসলাম ওরফে জি এম ওয়ালিউল ইসলামকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত। তিনি বরগুনা সদর উপজেলায় থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে বরগুনা জেলার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় গত বৃহস্পতিবার হাজিরা দিতে গেলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন। 
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পটুয়াখালী সূত্রে জানা যায়, পিআইও ওয়ালিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠ অভিযোগ এর তদন্ত করেছে দুদক। দুদক গত বছরের ৮ জুলাই ওয়ালিউল ইসলামের বিরুদ্ধে বরগুনার বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলার চার্জশিট (নং-০৩) দাখিল করেছে। 

মামলা সুত্রে জানা যায়, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (মাটির কাজ) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম সংঘটিত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, কোটবাড়িয়া গ্রামের গণি মৃধার বাড়ি থেকে শামীম মৃধার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা এবং তুলসিবাড়িয়া গ্রামের শামসু খানের বাড়ি থেকে মালেক খানের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার সংস্কার কাজে দুর্নীতির ঘটনা ঘটে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পূর্বের প্রকল্প প্রাক্কলন গায়েব করে নতুন করে জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া প্রাক্কলন প্রস্তুত করা হয়। এছাড়া কাজ না করেই বিল উত্তোলনের মাধ্যমে এক লাখ ২১ হাজার ৯৭ টাকা ৭৩ পয়সা সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 
এ ঘটনায় মো. ওয়ালিউল ইসলামের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ৪৭৭(ক) ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য,  মোঃ ওয়ালিউল ইসলাম ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ভোলার জেলার চরফ্যাশন উপজেলায় যোগদান করেছেন। তার বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলায়।