অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৫ই জুলাই ২০২৬ | ২১শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় অযত্নে পড়ে আছে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মৃতি জাদুঘর


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০শে মে ২০২৬ সকাল ১০:২৮

remove_red_eye

১০২

বেশিরভাগ সময় গেটে ঝোলে তালা, আসে না পাঠক


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের একজন সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল। তার নামে নিজ জেলা ভোলা সদর উপজেলার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোস্তাফা কামাল নগরে গড়ে উঠেছে একটি গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর। ২০০৮ সালের ৩ মে এটি স্থাপিত হলেও বর্তমানে অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে আছে গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরটি। আসে না দর্শনার্থী। বেশিরভাগ সময় এটি তালাবদ্ধ থাকে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সম্প্রতি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে প্রবেশের গেট তালাবদ্ধ। চোখে পড়লো কোনো দর্শনার্থী। কয়েক ঘণ্টা পর তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরের তত্ত্বাবধায়ক মো. রাশেদ।
ভেতরে দেখা গেলো সব কিছু জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। ১১টি আলমারিতে সাজানো আছে বিভিন্ন ধরনের বই। তবে চারটি আলমারিই ভাঙা। কিছু চেয়ার-টেবিল ও ফ্যান নষ্ট।
জাদুঘরের তত্ত্বাবধায়ক রাশেদ জানান, শুরু থেকেই এখানে কর্মরত আছেন। শুরুতে দৈনিক ১২০ টাকা বেতনে চাকরি করছেন। এখন তা বেড়ে দৈনিক ৭০০ টাকা হয়েছে। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে শুরুর দিকে বেশ কয়েক বছর জমজমাট ছিল। কিন্তু এরপর বেশি কয়েক বছর ধরেই এটা জমজমাট নেই। সপ্তাহে ২-৪ জন ঘুরতে আসেন। কিন্তু বই পড়তে আসেন না তেমন কেউ।
তিনি আরও জানান, জনবল সংকটের কারণে তাকে একাই অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়। যে কারণে কোনো কোনো দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখা সম্ভব হয় না।‘দেখার মতো কিছুই নেই এখানে। একজন আসবে ঘুরে ঘুরে দেখবে কিন্তু দেখার নেই কিছু। যেসব বই রয়েছে তা পুরোনো। এক বই একবারের বেশি তো কেউ পড়ে না। ফলে মানুষ এখানে একবার এলে আর আসে না। সরকার যদি এটি উন্নত করার উদ্যোগ নেয়, তাহলে প্রাণ ফিরে পাবে জাদুঘর’রাফিয়া জাহান ও ঝুমুর আক্তার নামের দুই শিক্ষার্থী জানান, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে তারা আগে মাঝেমধ্যে আসতেন। কিন্তু বেশিরভাগ সময় এটি বন্ধ থাকে। যেসব বই রয়েছে তা পুরোনো। যে কারণে তারা আর এখানে আসেন না।
দর্শনার্থী নুর উদ্দিন ও হাবিবুর রহমান বলেন, ‌‘স্মৃতিঘরের আসবারপত্র, বই সবকিছুই পুরোনো। জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। এটাতে আধুনিকায়ন জরুরি। তাহলে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়বে।’মোস্তফা নগরের স্থানীয় বাসিন্দা মো. ফিরোজ। জাদুঘরের বর্তমান অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।ফিরোজ  বলেন, ‘দেখার মতো কিছুই নেই এখানে। একজন আসবে ঘুরে ঘুরে দেখবে কিন্তু দেখার নেই কিছু। যেসব বই রয়েছে তা পুরোনো। এক বই একবারের বেশি তো কেউ পড়ে না। ফলে মানুষ এখানে একবার এলে আর আসে না। সরকার যদি এটি উন্নত করার উদ্যোগ নেয়, তাহলে প্রাণ ফিরে পাবে জাদুঘর।’জাদুঘরটির বর্তমান অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আলীনগর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাজাহান গাজী।
তিনি  বলেন, ‌‘জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধের এমন কিছু রাখা হয়নি যে বর্তমান প্রজন্ম সহজে সেখানে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেত পারবে। মুক্তিযুদ্ধের কয়েকটি বই ছাড়া কিছু নেই। বিষয়টি দুঃখজনক। জাদুঘরে বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের একটি ছবি ও প্লেট ছাড়া কিছু নেই।’
শাজাহান গাজী বলেন, ‘এখানে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের অনেক কিছু থাকা উচিত ছিল। বর্তমান সরকার সংসদে বীরশ্রেষ্ঠদের নামে কর্নার করেছে। আশা করি, সরকার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরের উন্নতির দিকে নজর দেবে।’
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরের আধুনিকায়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
তিনি  বলেন, আধুনিকায়ন করা হলে এখানে দর্শনার্থী ও পাঠকদের সংখ্যা বাড়বে।





আমরা ১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেও মাথা নোয়াইনি: ফখরুল

আমরা ১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেও মাথা নোয়াইনি: ফখরুল

যেখানেই অবহেলা-দুর্নীতি, সেখানেই চাকরিচ্যুতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যেখানেই অবহেলা-দুর্নীতি, সেখানেই চাকরিচ্যুতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জামায়াতের মধ্যে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা অন্য কোনো সংগঠনে নেই: জামায়াত আমির

জামায়াতের মধ্যে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা অন্য কোনো সংগঠনে নেই: জামায়াত আমির

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ

ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ

সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত জুলাই শহীদের স্বজনেরা

প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত জুলাই শহীদের স্বজনেরা

খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে তেহরানে মানুষের ঢল

খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে তেহরানে মানুষের ঢল

বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে : অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে : অর্থমন্ত্রী

একজন মানুষের ইগো যে দেশ-দলকে ধ্বংস করতে পারে তার প্রমাণ শেখ হাসিনা :  সোহেল তাজ

একজন মানুষের ইগো যে দেশ-দলকে ধ্বংস করতে পারে তার প্রমাণ শেখ হাসিনা : সোহেল তাজ

আরও...