অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ৫ই অক্টোবর ২০২৬ | ২০শে আশ্বিন ১৪৩৩


জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন অধিকার রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার অন্যতম ভিত্তি


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ই মে ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৪৮

remove_red_eye

১৮২

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়। এটি নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা গ্রহণ এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

২০০৪ সালে প্রণীত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন পরবর্তীতে সংশোধন ও সংহত করা হয়। বর্তমানে দেশে এই আইন কার্যকর রয়েছে। আইনের বিধান অনুযায়ী প্রত্যেক ব্যক্তির জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।

আইন অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী, মৃত্যুবরণকারী বা স্থায়ীভাবে বসবাসকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক কর্তৃক নির্ধারিত কর্মকর্তা বা কাউন্সিলর নিবন্ধক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

পৌরসভা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী, মৃত্যুবরণকারী বা স্থায়ীভাবে বসবাসকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে পৌরসভার মেয়র, প্রশাসক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কিংবা কাউন্সিলর নিবন্ধকের দায়িত্ব পালন করবেন।

ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী, মৃত্যুবরণকারী বা স্থায়ীভাবে বসবাসকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সরকার নির্ধারিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কিংবা সদস্য নিবন্ধক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী, মৃত্যুবরণকারী বা স্থায়ীভাবে বসবাসকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিবন্ধকের দায়িত্ব পালন করবেন।

বিদেশে জন্মগ্রহণকারী, মৃত্যুবরণকারী বা সরকার কর্তৃক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিবন্ধক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

আইনে বলা হয়েছে, একই এলাকায় একই সময়ে একাধিক ব্যক্তি নিবন্ধক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এছাড়া, আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী ও লিঙ্গ নির্বিশেষে নিবন্ধককে সকল ব্যক্তির জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করতে হবে।

আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে কোনো ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধন না হলে নিবন্ধক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পিতা-মাতা, পুত্র-কন্যা, অভিভাবক বা নির্ধারিত ব্যক্তিকে তথ্য প্রদানের নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করতে পারবেন।

আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী শিশুর পিতা-মাতা, অভিভাবক বা নির্ধারিত ব্যক্তি শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মসংক্রান্ত তথ্য নিবন্ধকের কাছে দিতে বাধ্য থাকবেন। একইভাবে মৃত ব্যক্তির পুত্র, কন্যা, অভিভাবক বা নির্ধারিত ব্যক্তিকে মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে মৃত্যু-সংক্রান্ত তথ্য নিবন্ধকের কাছে জমা দিতে হবে।

আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী জন্ম নিবন্ধনের আগে শিশুর নাম নির্ধারণ করতে হবে। তবে নাম নির্ধারণ না হলেও জন্ম নিবন্ধন করা যাবে। সে ক্ষেত্রে নিবন্ধনের পরবর্তী ৪৫ দিনের মধ্যে শিশুর নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে নিবন্ধক নির্ধারিত ফি ও পদ্ধতিতে জন্ম বা মৃত্যু সনদ প্রদান করবেন।

ধারা ১৪ অনুযায়ী নিবন্ধক নির্ধারিত পদ্ধতি ও ফরমে নিবন্ধন বই সংরক্ষণ করবেন। এই নিবন্ধন বই স্থায়ী রেকর্ড হিসেবে গণ্য হবে। ধারা ১৫ অনুযায়ী, জন্ম বা মৃত্যু সনদে কিংবা নিবন্ধন বইয়ে ভুল তথ্য থাকলে নির্ধারিত ফি দিয়ে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধকের কাছে তা সংশোধনের আবেদন করা যাবে।

ভুল তথ্য বা মিথ্যা ঘোষণার ভিত্তিতে কোনো জন্ম বা মৃত্যু সনদ ইস্যু হলে নির্ধারিত ফি-সহ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিবন্ধক সেই সনদ বাতিল করতে পারবেন। একই সঙ্গে নিবন্ধন বইয়ের সংশ্লিষ্ট অংশ সংশোধন করে স্বাক্ষর করবেন।

আইনের ১৮ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির বয়স, জন্ম বা মৃত্যু সংক্রান্ত তথ্য প্রমাণের ক্ষেত্রে অফিস, আদালত, স্কুল-কলেজসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এই আইনের অধীনে দেওয়া জন্ম বা মৃত্যু সনদ সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

আইন বা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানায় দণ্ডিত হবেন। 

এছাড়া কেউ জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য মিথ্যা তথ্য, লিখিত বর্ণনা বা জেনেশুনে ভুয়া ঘোষণা দিলে তিনি সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

একইভাবে কোনো নিবন্ধক মিথ্যা তথ্য, লিখিত বর্ণনা বা ঘোষণা সম্পর্কে জেনেও জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধন করলে তিনিও সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। 

তবে তিনি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে অপরাধটি তার অজ্ঞাতে ঘটেছে অথবা তা প্রতিরোধে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন, তাহলে তিনি দায়মুক্তি পেতে পারেন।

আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা নিবন্ধক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করতে পারবেন।

 





ভোলায় মৎস্যজীবী দলের ৩৯ সদস্যের কমিটি অনুমোদন

ভোলায় মৎস্যজীবী দলের ৩৯ সদস্যের কমিটি অনুমোদন

ভোলায় এখন টিভির সাংবাদিকের বাসায় দুধর্ষ চুরি

ভোলায় এখন টিভির সাংবাদিকের বাসায় দুধর্ষ চুরি

লালমোহন উপজেলা ও পৌরসভার ছাত্রদলের কমিটি হওয়ায় আনন্দ মিছিল

লালমোহন উপজেলা ও পৌরসভার ছাত্রদলের কমিটি হওয়ায় আনন্দ মিছিল

লালমোহনে অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

লালমোহনে অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

বোরহানউদ্দিনে ১০০ পিস ইয়াবা ও ৪৮,৫০০ টাকা উদ্ধার, মা’দক ব্যবসায়ী আটক

বোরহানউদ্দিনে ১০০ পিস ইয়াবা ও ৪৮,৫০০ টাকা উদ্ধার, মা’দক ব্যবসায়ী আটক

ভোলায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে শানে সাহাবা জাতীয় খতীব ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

ভোলায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে শানে সাহাবা জাতীয় খতীব ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

মনপুরায় ইউপি মেম্বারকে পিঠিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার-২

মনপুরায় ইউপি মেম্বারকে পিঠিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার-২

দৌলতখানে পুকুর থেকে প্রতিবন্ধী যুবকের মরদেহ উদ্ধার

দৌলতখানে পুকুর থেকে প্রতিবন্ধী যুবকের মরদেহ উদ্ধার

যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আরও...