অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ৫ই মে ২০২৬ | ২২শে বৈশাখ ১৪৩৩


কনস্টেবল হত্যা মামলায় আরও একজন রিমান্ডে


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১শে অক্টোবর ২০২৩ সন্ধ্যা ০৬:২৯

remove_red_eye

২৯১

পুলিশের এক কনস্টেবল হত্যার ঘটনায় আরও এক আসামিকে ২ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।
বিএনপির ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজ (৩২) নিহত হন। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত শহিদুল্লাহ মুসুল্লীর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 
মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্টন থানার উপপরিদর্শক মো. সালাহ উদ্দিন কাদের। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরি তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
এরআগে সোমবার পলাশবাড়ী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শামীম ওরফে সিংটা শামীমসহ দুইজনকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তের স্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্টন থানার উপপরিদর্শক মো. সালাহ উদ্দিন কাদের। অন্যদিকে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলী হায়দারের আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ ছিল। দুপুরে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হলে এক পর্যায়ে মহাসমাবেশ পন্ড হয়ে যায়। 
সংঘর্ষ চলাকালে ফকিরাপুলের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মাথায় আঘাত পেয়ে রাস্তায় পড়ে যান দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য আমিরুল। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আমিরুলের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায়।
এ ঘটনায় রোববার রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় পুলিশের উপপরিদর্শক মাসুক মিয়া বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় বিএনপির শীর্ষ নেতাসহ ১৬৪ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সুত্র বাসস