বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩রা জুন ২০২২ রাত ১২:৪৩
৫৭৮
আকতারুল ইসলাম আকাশ II ভোলায় দফায় দফায় বেড়ে চলছে গো-খাদ্যের দাম। যাঁর ফলে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলার সাড়ে ১২ হাজার খামারি। আসছে কোরবানির ঈদ নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করছেন তাঁরা। খাদ্যের দাম বাড়লেও বাড়েনি দুধের দাম। যাঁর ফলে চরম দুশ্চিন্তা আর হতাশা নিয়ে দিন কাটছে খামারিদের।
খামারিরা বলছেন- যেভাবে দফায় দফায় গো-খাদ্যের দাম বাড়ছে। সেভাবে যদি দুধের দামও বাড়তো। তাহলে তাদের লোকসানের সম্মুখীন হতে হতো না। এখন অতিরিক্ত খরচ বহন করেও লাভের মুখ দেখছেন না তাঁরা। দিনদিন লোকসানের সম্মুখীন হওয়াতে অনেক খামারি আগে-ভাগেই তাদের পশু বিক্রি করে দিচ্ছেন।
বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৫ দিনের ব্যবধানে গো-খাদ্যের নারিশ ফিড ২৫ কেজি বস্তা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২৯৫ টাকায়। যা ১৫ দিন আগেও ১ হাজার ২৩০ টাকা ছিল।
ভুসি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০ টাকা, আগে ছিল ৫০ টাকা। মাসকলায়ের খুদি ও খৈল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ৪০ টাকা। প্রতি কেজি চালের খুদ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়, আগে ছিল ৩০ টাকা। আটা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা কেজি, আগে ছিল ৩৮-৪০ টাকা। ধানের গুড়া ৫০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা, আগে ছিল ৬০০ টাকা। রাইস পালিস বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকা কেজি। এছাড়াও ভুট্টার আটা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ৩০ টাকা।
সদর উপজেলা পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপাতা গ্রামে অবস্থিত বিসমিল্লাহ ডেইরি ফার্মের মালিক মো. জসিম তালুকদার জানান, দুই সপ্তাহের মধ্যে হঠাৎ করেই গো-খাদ্যের দাম বেড়ে গেছে। তাঁর খামারি ছোট-বড় মিলিয়ে ৩৩টি গবাদি পশু রয়েছে। খামারে ৪ জন কর্মচারী রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে তাঁর দৈনিক ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা ব্যয় হয়। প্রতিদিন যে পরিমাণ দুধ তিনি বিক্রি করেন। তা দিয়ে বর্তমানে গো-খাদ্য ক্রয় করতে তিনি হিমশিম খাচ্ছেন। খাদ্যর দাম বাড়লেও দুধের বাজার দাম না বাড়ায় লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন তিনি।
একই গ্রামের মাশাল্লাহ ডেইরি ফার্মের মালিক মো. ইউছুফ পÐিত জানান, গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় তিনি বর্তমানে লোকসানের ঝুঁকিতে আছেন। দৈনিক খামারে যে পরিমাণ টাকা তিনি ব্যয় করেন। তা দুধ বিক্রি করে পুষছে না। এছাড়াও খামারে কাজ করা কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁর। ব্যাংক ঋণ নিয়ে খামার করে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তিনি।
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১২ হাজার চারশোটি খামার রয়েছে। এসব খামারে প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার গরু ও ১ লাখ ২৪ হাজার মহিষ রয়েছে। হঠাৎ করে গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় আসছে কোরবানির ঈদ নিয়ে এসব পশুর মালিকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ইন্দ্রজিৎ মÐল কুমার জানান, পশু খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে জেলার প্রান্তিক খামারিরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। অনেক খামারি লোকসানের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে জানিয়েছেন। চড়া দামে পশু খাদ্য কিনে খামারিদের পুষছে না। আসছে কোরবানির ঈদের আগেই অনেক খামারি লোকসান থেকে বাঁচতে আগে-ভাগেই গরু বিক্রি করে দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এ কর্মকর্তা আরও জানান, যেভাবে গো-খাদ্যের দাম বাড়ছে, সেভাবে যদি দুধের দামও বাড়তো। তাহলে খামারিরা লোকসানের সম্মুখীন হতোনা। দুধের বাজার দাম কম হওয়াতে খামারিরা মারাত্মক ক্ষতির ঝুঁকিতে রয়েছে।
জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: পুলিশের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী
জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল মা: মির্জা ফখরুল
জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
পুলিশকে আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়তে যৌক্তিক দাবি পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীর তথ্য যাচাইয়ের নির্দেশ
সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহির মধ্য দিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করছে: রিজভী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের পদত্যাগ
শপথ নিয়েই ২০০ ইউনিট ফ্রি বিদ্যুতের ঘোষণা বিজয়ের
নাটকীয়তার পর যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন থালাপতি বিজয়
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক