অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৭ই জুন ২০২৬ | ২৪শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের পদত্যাগ


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ই মে ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:১০

remove_red_eye

৬১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন।

রোববার (১০ মে) উপাচার্যের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।

 

পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র পেশ করছি, যা এই আবেদনপত্র জমাদানের তারিখ থেকেই কার্যকর হবে। গত ২০ মাস ধরে এই দায়িত্ব পালন করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা রক্ষা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।

 
আমার প্রতি যে আস্থা রাখা হয়েছে এবং নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার যে সুযোগ পেয়েছি, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

 

অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত কারণে আমি প্রক্টর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রয়োজন অনুভব করছি।

তবে আমি আমার একাডেমিক দায়িত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকব এবং দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করব।

 

তিনি বলেন, আমার দায়িত্ব পালনকালে যারা আমাকে সহযোগিতা করেছেন সব সহকারী প্রক্টর, দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সহকর্মীরা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সাংবাদিকরা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভানুধ্যায়ী এবং সর্বোপরি আমার প্রিয় শিক্ষার্থীদের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

 

এ বিষয়ে তিনি জানান, নিজেকে এবং পরিবারকে সময় দিতে এবং আরও বেশি একাডেমিক কাজে মনযোগ দিতে তিনি পদ থেকে অব্যহতি চেয়েছেন।

ঢাবির এ প্রক্টর বলেন, নতুন উপাচার্য আসার পর থেকে অনেকদিন ধরেই আমি পদত্যাগ করতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু হুট করে চলে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় সংকটে পড়ত। তাই আমি কিছুদিন সময় চেয়েছি৷ এটি রুটিন দায়িত্ব। কিন্তু এই দায়িত্বের কারণে আমি একাডেমিক কাজ এবং পরিবারকে সময় দিতে পারছি না। আমার মনে হয়েছে, আমার বিশ্রাম প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, যখন দায়িত্ব নিয়েছিলাম, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গভীর সংকট চলছিল। এখন সে অবস্থা থেকে উন্নতি হয়েছে। এখন চলে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো প্রভাব পড়বে না। আমি অনেকদিন ধরেই উপাচার্যকে বলেছি। শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হয়েছে। তিনি আমাকে ছাড়তে রাজি হয়েছেন।