অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ১২ই মে ২০২৬ | ২৮শে বৈশাখ ১৪৩৩


তোফায়েল আহমেদের জন্ম দিনে ভোলায় আ’লীগের উদ্দ্যোগে আলোচনা ও দোয়া মিলাদ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২শে অক্টোবর ২০২১ সন্ধ্যা ০৭:৫৬

remove_red_eye

৫৫৯

 

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক  : ’৬৯-এ পূর্ব বাংলার অবিসংবাদিত ছাত্রনেতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,  আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সাবেক শিল্প ও বানিজ্যমন্ত্রী, ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদের  ৭৯তম জন্ম দিন উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আলোচনা, দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তোফায়েল আহমদের জন্ম দিন উপলক্ষে আগের রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধি ও দলীয় নেতা কর্মীরা শুভেচ্ছা জানান। এ সময় দোয় মোনাজাতে তার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দীর্ঘ এক মাস ২২ দিন ভারতের দিল্লীতে চিকিৎসা শেষে শুক্রবার দেশে ফিরেন তোফায়েল আহমেদ।

 জেলা আওয়ামী লীগের দোয়া ও আলোচনা সভায় দলের সহ সভাপতি এ্যাডভোকেট জুলফিকার আহমদের সভাপতিত্বে এই প্রবীন নেতার রাজনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান  ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ মোশারফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি দোস্ত মাহামুদ, যুগ্ম সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকিব, জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সম্পাদক এনামুল হক আরজু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইউনুছ, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী নেওয়াজ পলাশ,জেলা স্বচ্ছাসেবক লীগ আহŸায়ক আবু সায়েম,  জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রায়হান আহমেদ। এতে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন শীর্ষ নেতৃবৃন্দ আংশ গ্রহণ করেন। 

 

উল্লেখ্য, তোফায়েল আহমেদ এর ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর  কোড়ালিয়া গ্রামে তার জন্ম হয়। তার পিতা  মৌলভী আজহার  আলী এবং মা ফাতেমা খানম ছিলেন এলাকার সম্মানিত ব্যাক্তিত্ব।  তিনি  ১৯৬০ সালে  ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯৬২ সালে আইএসসি পাশ ও  পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে এমএসসি পাশ করেন। কলেজ জীবন থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন। 

ব্রজমোহন কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক পদে এবং কলেজ হোস্টেল অশ্বিনী কুমার হলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন ১৯৬২ সনে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ১৯৬৪তে ইকবাল (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) হল ছাত্র-সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক, ১৯৬৫তে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহ-সভাপতি, ১৯৬৬-৬৭তে ইকবাল হল ছাত্র-সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।

১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সন পর্যন্ত তিনি ডাকসুর ভিপি থাকাকালীন ৬৯-এর মহান গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন।  ১৯৬৬-এর ৮ মে থেকে ১৯৬৯-এর ২২ ফেব্রæয়ারী পর্যন্ত দীর্ঘ  প্রায় ৩৩ মাস কারাগারে আটক থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ‘আগরতলা  ষড়যন্ত্র  মামলা’র সকল  রাজবন্দীকে নিঃশর্ত মুক্তিদানে তোফায়েল  আহমেদের  নেতৃত্বে  সর্বদলীয়  ছাত্র  সংগ্রাম  পরিষদ  সারা  বাংলায় তৃণমূল  পর্যন্ত তুমুল গণআন্দোলন গড়ে তোলেন। ১৯৬৮-৬৯-এ গণজাগরণ ও ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন তিনি ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন এবং ’৬৯-এর ২২ ফেব্রæয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল রাজবন্দীকে মুক্ত করেন। ওই সময়ে তোফায়েল আহমেদকে নিয়ে পাকিস্তান অবজারভার পত্রিকায় শিরোনাম হয়,  তোফায়েল দি গভর্নর অব ইষ্ট পাকিস্তান।” ওই সময়ে ইকবাল হলের ৩১৫ নাম্বার রুমের সামনে দেশী বিদেশী সাংবাদিকগন তার বক্তব্য নিতে অপেক্ষা করতো আন্দোলনের কর্মসূচী জানার জন্য। ২৩ ফেব্রæয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভার সভাপতি হিসেবে ১০ লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে কৃতজ্ঞ জাতির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞচিত্তে গণজোয়ারে জাতির জনককে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে ভোলা দৌলতখান-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে অংশ নিয়ে এমএনএ নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি মুজিব বাহিনীর অঞ্চল ভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তারিখে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরবর্তীকালে ১৯৭২ সালে ১৪ জানুয়ারি তারিখে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন। ১৯৭০-এ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ, ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮,২০১৪এবং ২০১৮সনের সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে সর্বমোট ৮ বার তিনি এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। তিনি দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় সংসদে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয়  ̄স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

 





ভোলার ধনিয়ায় ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত

ভোলার ধনিয়ায় ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত

ভোলার ধনিয়া কিশোরী ক্লাব গঠন ও মতবিনিময় সভা

ভোলার ধনিয়া কিশোরী ক্লাব গঠন ও মতবিনিময় সভা

উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে ইউজিসির কর্মশালা আগামীকাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে ইউজিসির কর্মশালা আগামীকাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অপরাধীর পরিচয় কেবলই অপরাধী, রাজনৈতিক পরিচয় নয়: প্রধানমন্ত্রী

অপরাধীর পরিচয় কেবলই অপরাধী, রাজনৈতিক পরিচয় নয়: প্রধানমন্ত্রী

অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখতে পুলিশের প্রতি নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখতে পুলিশের প্রতি নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরো জনবান্ধব করবে : মির্জা ফখরুল

নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরো জনবান্ধব করবে : মির্জা ফখরুল

কন্যাশিশুদের বিকাশে রাষ্ট্রকে সহায়ক শক্তি হতে হবে: ডা. জুবাইদা

কন্যাশিশুদের বিকাশে রাষ্ট্রকে সহায়ক শক্তি হতে হবে: ডা. জুবাইদা

ভিন্নমতের ঊর্ধ্বে উঠে পুলিশ সদস্যদের একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ভিন্নমতের ঊর্ধ্বে উঠে পুলিশ সদস্যদের একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করবো না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো :  ধর্মমন্ত্রী

সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করবো না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো : ধর্মমন্ত্রী

আরও...