অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৩শে অক্টোবর ২০২১ | ৮ই কার্তিক ১৪২৮


ভোলায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঔষুধের দোকানে শিশু খাদ্য দুধ বিক্রির অভিযোগ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৭ই অক্টোবর ২০২১ রাত ১০:১৫

remove_red_eye

৫৭



বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বেশিরভাগ ঔষুধের দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে শিশু খাদ্য হিসেবে নানা কোম্পানীর দুধ । মায়ের দুধের বিকল্প হিসেবে এই সব দুধ নির্বিঘেœ বিক্রি হচ্ছে। ২০১৩ সালের আইন ও ২০১৭ সালের বিধি মালায় মায়ের দুধের বিকল্প  শিশু খাদ্য হিসেবে কোন ঔষুধের দোকানে বিক্রি করা যাবে না। এমন কি প্রকাশ্যে সাজিয়ে রেখে এই সব দুধ বিক্রি করা যাবে না। এমন আইন আমান্যকারীদের ৫ বছর কারাদন্ড ও ৩ লাখ টাকা জরিমানার  বিধান রয়েছে । সিভিল সার্জন কার্যালয়ে  বৃহস্পতিবার মাতৃদুগ্ধ বিকল্প আইন ২০১৩ ও বিধি ২০১৭ এবং পুষ্টিখাতের অর্জন বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় এমন তথ্য তুলে ধরেন অংশ গ্রহণকরীরা। এ সময় সিভিল সার্জন ডাঃ কেএম শফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে আইনের বিভিন্ন ইস্যুতে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্বাস্থ্য বিভাগের   উপ-পরিচালক রির্সোসপারসন ডাঃ জয়নাল আবদীন ,  সাস্থ্য বিভাগের সাবেক উপপরিচালক বিএমএ’র সভাপতি ডাঃ এটিএম মিজানুর রহমান,   পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালখ মাহামুদুল হক আযাদ, প্রেসক্লাব সম্পাদক অমিতাভ অপু । কর্মশালায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালকসহ  ৭ উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা , সিনিয়র নার্সরা অংশ নেন।  এ সময় বলা হয় ৫ বছরের শিশুদের জন্য কোন দোকানে প্রকাশে কোন শিশু খাদ্য হিসেবে দুধ বিক্রি করা যাবে না। কোন শিশুর মা মারা গেলে, বা কোন কারনে মায়ের দুধ না পেলে ওই শিশুর কারণ উল্লেখ করে তার জন্য বিকল্প দুধ খাওয়ানোর সুপারিশ করতে পারেন ডাক্তার। সেই ক্ষেত্রে প্রেসক্রিপশনে কারণ উল্লেখ থাকতে হবে। ওই প্রশিক্ষণে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়, তারা যেন কর্মস্থলে ফিরে স্বাস্থ্য পরির্দশক দের নিয়ে দোকান মনিটরিং করবেন। প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইন আমান্যকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা করার।  অভিযোগ রয়েছে জেলা ও উপজেলা সদরের বড় ওষুধের দোকানগুলোতে মায়ের দুধের বিকল্প হিসেবে কৌটাভরা দুধ বিক্রি  করা হচ্ছে দেদারচ্ছে। এই ক্ষেত্রে দোকানীরাও ওই আইন সম্পর্কে জানেনা বলেও জানান অং,গ্রহণকারীরা। এ জন্য গণসচেতনতা সৃস্টিও সুপারিশ করা হয়েছে।





আরও...