অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৩শে অক্টোবর ২০২১ | ৮ই কার্তিক ১৪২৮


ইলিশের প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে ভোলায় সচেতনতা সভা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২১ রাত ১০:১৪

remove_red_eye

৩১



বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ইলিশের প্রদান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে ভোলায় জেলে, আড়তদার ও সাধারণ মানুষের সাথে জনসচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বুধবার(২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদের হল রুমে  উপজেলা প্রশাসন ও ভোলা সদর মৎস্য  অধিদপ্তর এর আয়োজনে বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তর এর ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা  প্রকল্পের সহযোগিতায় এ এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুছ।


অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসাইন।  এসময় কোস্ট গার্ড, নৌ-পুলিশ, জেলা পুলিশ জেলে ও মৎস্যজিবি সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।  এ সময় বক্তারা বলেন, মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ অনুযায়ী এ সময়ে সারাদেশে ইলিশ মাঢ় আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ,  ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ  এবং দন্ডনীয় অপরাধ। এই আইন অমান্য কারীর কমপক্ষে এক বছর হতে দুই বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড অথবা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
তারা আরও বলেন, আগামী ৪ অক্টোবর হতে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম। এই প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরা রক্ষা করা যায়। তবে আগামী মৌসুমে  আরও বেশি পরিমানে ইলিশ পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ ইলিশের ক্ষনিতে রুপান্তরিত হবে। সে লক্ষে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
এ সময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে জেলেরা অসৎ উপায়ে  মাছ শিকারে যায়। তখন  প্রশাসন সহ আমরা তাদের আটক করে জেল জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি তাদের মাছ ধরার সরঞ্জাম ও নৌকা পুরিয়ে দেওয়া হয়।  এতে জেলেরা ব্যপক ক্ষতির মূখে পরে। তাই এই নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে  থেকে মাছ শিকার না করার আহবান জানান তিনি।





আরও...