অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৩শে অক্টোবর ২০২১ | ৮ই কার্তিক ১৪২৮


ভোলায় হঠাৎ করে নিউমোনিয়া জ্বরসহ ঠান্ডা জনিত রোগে শিশুদের আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২১ রাত ১১:১৪

remove_red_eye

১৬২



হাসপাতালে সিট সংকট,রোগীদের দুর্ভোগ চরমে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় হঠাৎ করে নিউমোনিয়া জ্বরসহ ঠান্ডা জনিত রোগে শিশুদের আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদিনই ভোলা সদর হাসপাতালে কয়েকশত শিশু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ বেশি রোগী ভর্তি হওয়ায় তারা হাসপাতালে সিট পাচ্ছে না। এতে করে চরম দুর্ভোগ নিয়ে রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে।  স্থানীয়দের দাবী দ্রæত নতুন হাসপাতালের নতুন ভবনটি চালু হলে রোগীদের দুর্ভোগ লাগোব হবে।
আশ্বিনের মাঝা মাঝিতে আবহাওয়ার পরিতর্বনের সাথে সাথে উপকূলীয় দ্বীপজেলা ভোলায় শিশুদের মধ্যে দেখা দিয়েছে নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগ। আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে তাদের অভিভাবকরা চিকিৎসা নিতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছে  ভোলা সদর হাসপাতালে। দিন দিন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেরে যাওয়ায় ভোলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ও সেবিকারা হিমসিম খাচ্ছে। হাসপাতালের বহি: বিভাগে প্রতিদিন কয়েকশত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। আর গুরুতর রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। কিন্তু  হাসপাতালে শিশু রোগীদের চিকিৎসার জন্য রয়েছে ২টি ওয়ার্ডে মাত্র ২০ টি বেড। গত কয়েক দিন ধরে শিশুর রোগীদের চিকিৎসার জন্য দুটি ওয়ার্ডে কোন ফাঁকা নেই। সর্দি জ্বরসহ ঠান্ডা রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে বহু শিশু। বেড সংকট থাকায় একটি বেডে ২/৩ জন করে শিশুদেরকে গাদাগাদি করে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। শিশু ওয়ার্ডে নেই কোন স্বাস্থ্যবিধির বালাই। রবিবার সকালে দেখা যায়, সিট না পেয়ে অনেকে হাসপাতালের বারান্দায় মেঝেতে বিছানা পেতে বাধ্য হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।
রোগীর স্বজনদের অভিযোগ , তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে  শিশুদের চিকিৎসা নিচ্ছে। ওয়ার্ডে তাদের নিয়মিত খাবার দেয়া  হয় না। স্বজনদের সাথে দুব্যবহার করা হয়। হাসপাতালের টয়লেট গুলো ব্যবহারের অযোগ্য । পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কোন বালাই নেই। অতিরিক্ত রোগের চাপে নার্স ও চিকিৎসকরাও রোগীদের সঠিকভাবে চিকিৎসাসেবা দিতে পারছে না।
হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট চিকিৎসক ডা: মো: সালাহ্উদ্দিন  জানান,এই সময়  ভাইরাস জনিত ঠান্ডা রোগ শিশুদের বেশী হয়। নভেম্বরের শেষ দিকে রোগ কমবে। এর জন্য মায়েদেরকে সর্তক থাকার জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, ২৫০ শয্যার ভোলা হাসপাতালে নতুন ভবনে কার্যক্রম  চালু না হওয়ায় ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ২২ জন ডাক্তারের পদের মধ্যে রয়েছে মাত্র ১০ জন চিকিৎসক। শূন্য পদে ডাক্তার দেয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও জানান, হাসপাতালের তত্ববধায়ক ডা: মো: সিরজ উদ্দিন।  






আরও...