অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৩শে অক্টোবর ২০২১ | ৮ই কার্তিক ১৪২৮


ডুবো চরের কারনে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে ফেরি চলাচল ব্যহত


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১শে সেপ্টেম্বর ২০২১ রাত ১০:০২

remove_red_eye

৩৭




অমিতাভ অপু :  ভোলা-লক্ষীপুর রুটের  ইলিশা ঘাটের কাছাকাছি ডুবোচরের কারনে ২১ জেলার ( খুলনা থেকে চট্টগ্রাম) সহজ যোগযোগ ব্যহত হচ্ছে চরমভাবে। যেখানে ২ থেকে দেড় ঘন্টায় ফেরি পার হতে পারে। সেখানে চরেই আটকা থাকছে ৪ / ৫ ঘন্টা।  ফেরি রুট ড্রেজিং এর উদ্যোগ নেই  বিআইডব্লিউটিসির বরিশাল জোনের। এ নিয়ে ক্ষোভ জানান ব্যবসায়ীসহ পরিবহন মালিক শ্রমিকরা। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ভোলার ইলিশা ঘাট থেকে ফেরি কুসুমকলি ৫টি চট্টগ্রামগামী যাত্রীবাহী বাস ও ১১টি পন্যবাহী ট্রাক নিয়ে লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরী ঘাটের উদ্দেশ্যে ছাড়ে। ১০ মিনিট না যেতে এটি ডুবোচরে আটকা পড়ে। দুপুর আড়াইটায় এটি পূর্ন জোয়ারে ওই চর থেকে ছাড়া পায়। ওই ফেরিটি মজুচৌধুরী ঘাটে পৌঁছার কথা ছিল দুপুর ১২টায় । এটি পৌঁছায় বিকাল সোয়া ৪টায়। একই অবস্থা ল²ীপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া ফেরি কনকচাপার বেলায়। ফেরির টার্মিনাল ইনচার্জ মোঃ জহুরুল ইসলাম জহির জানান, এতে স্বাভাবিক চলাচল ব্যহত হচ্ছে। এতে দুই ধরেনের লোকজন হচ্ছে। একদিকে ফেরির ট্রিপ কম হওয়ায় বিআইডবিøউটিসির রাজস্ব কমে যাচ্ছে। অপরদিকে ব্যবসায়ীদের পন্য ও কাচামাল সময়মত  কলকারখানা না পৌঁছায় লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এ ছাড়া যাত্রীদেও ভোগান্তির শেষ নেই।  ফেরি কদমের মাস্টার ইনচার্জ মোঃ কাওসার হোসেন জানান, ঝুঁকি নিয়ে তারা ফেরি চালাচ্ছেন। দ্রæত ফেরি রুট ড্রেজিং করার দাবি জানান তারা। ভোলা নাগরিক কমিটির সহসভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর দুলাল চন্দ্র ঘোষ জানান, এই রুটটি এখন দেশের গুরুত্বপূর্ন একটি রুট। বিআইডবিøইটিএ’র কর্মকর্তারা সেভাবে নজরদারি করছেন না। প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায়  কমিউনিটি বেইস ড্রেজিং করার দাবিও জানান নাগরিক কমিটি।





আরও...