অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭ই আশ্বিন ১৪২৮


ভোলায় এসিড নিক্ষেপে ছাত্রী হত্যা মামলায় অপুর আমৃত্যু যাবজ্জীবন


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২১ রাত ১১:০০

remove_red_eye

৯৯

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলা সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নে রাতের আধারে ঘুমন্ত দুই বোনের উপর এসিড নিক্ষেপ ও এসিডে ঝলসে বড় বোন তানজিম আক্তার মালার মৃত্যুর ঘটনায় মহব্বত হাওলাদার অপু নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন (আমৃত্যু) কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২টি ধারায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।   বুধবার বিকালে ভোলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নূরুল আলম মোহাম্মদ নিপু এ রায় দেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ভোলার দক্ষিণ বালিয়া গ্রামের মহব্বত হাওলাদার অপুর সাথে পাশ্ববর্তী খুশিয়া গ্রামের হেলাল উদ্দিনের মেয়ে এসএসসি পাশ করা তানজিম আক্তার মালার সাথে প্রেম ঘটিত বিষয় নিয়ে মনো মালিণ্য সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ২০১৮ সালের ১৪ মে রাতে আসামী অপু ঘুমন্ত মালা ও তার ছোট বোন মারজিয়ার গায়ে এসিড নিক্ষেপ করে। এতে তানজিম আক্তার মালার চোখ, মুখ, গলা ও বুকসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায় এবং ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।এসিডে মারজিয়ার মাথা, ঘাড়, কাঁধ ও পায়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
স্বাক্ষী প্রমাণে ঘটনা প্রমানিত হওয়ায় আসামী অপুকে দোষী সাব্যস্থ করে তানজিম আক্তার মালার মৃত্যুর জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২০০ এর ৪(১) ধরায় যাবজ্জীন কারাদন্ড (আমৃত্যু) ও ৭৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়। অপরদিকে মারজিয়ার মাথায়, ঘাড়ে, কাঁধে ও পায়ে এসিডদগ্ধ করার অপরাধে একই আইনের ৪(২)(খ) ধারামতে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং ২৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়। আসামীর উভয় সাজা একই সাথে চলবে। অর্থদন্ডের টাকা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে দেয়া হবে।  এ সময় আদালতে আসামী মহব্বত হাওলাদার অপু উপস্থিত ছিলেন। সে ভোলা সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল। রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি এ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন কবির ও আসামী পক্ষে  আইনজীবী ছিলেন এ্যাডভোকেট ফরিদুর রহমান।