অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭ই আশ্বিন ১৪২৮


দৈনিক বাংলার কণ্ঠের উপদেষ্টা মরহুম জাহাঙ্গীর আলমের কুলখানি অনুষ্ঠিত


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২১ সকাল ০৬:৫১

remove_red_eye

৭৪

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : দৈনিক বাংলার কণ্ঠের উপদেষ্টা, ভোলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,ভোলা পল্লী বিদ্যুত সমিতির সাবেক সভাপতি,  সাবেক পৌর কমিশনার, ভোলা জুয়েলারী ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি,ভোলা-লক্ষ্মীপুর ফেরি বাস্তবায়ন আন্দোলন কমিটির সভাপতি মরহুম আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম এর কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বাদ আছর জামিরালতা ডাক্তার বাড়ীতে এ কুলখানিতে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মোনাজাতে এসময় দূর দূরান্ত থেকে মুসল্লি, আত্মীয় স্বজন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মসজির ইমাম,মুয়াজ্জিন,মাদ্রাসার শিক্ষক- শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ অংশ নেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়্যারম্যন ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মমিন টুলু,ভোলা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুল কাদের মজনু মোল্লা, তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন দুলাল, ভোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বাংলার কণ্ঠের সম্পাদক এম হাবিবুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর কিবরিয়া, ভোলা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক হারুনর রশিদ ট্রুম্যান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম, ভোলা পৌর কাউন্সিলর মঞ্জুর আলম, আতিকুর রহমান, এরফানুর রহমান মিথুন মোল্লা, বাপ্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়ানুর রহমান বিপ্লব মোল্লা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ইয়ারুল আলম লিটন প্রমুখ। এসময় দোয়া মোনাজাতে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ভোর ৫ টা ১৫ মিনিটে হৃদযন্ত্রেরক্রিয়া বন্ধ হয়ে ঢাকায় স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় জাহাঙ্গীর আলম ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি অইন্নাইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,২ ছেলে,২ মেয়ে সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব, গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি হঠাৎ করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কয়েক দিন আগে এয়ার এম্বুলেন্সে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন। প্রচার বিমুখ এ মানুষটি নীরবে অসংখ্য মানুষের উপকারে নিজেকে উৎসর্গ করতেন। নিরবে দান করতেন। সমাজসেবামূলক নানা কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত ছিলেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। এদিকে জামিরালতা ডাক্তার বাড়ির দরজায় মরহুমের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।