অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭ই আশ্বিন ১৪২৮


ভোলা হাসপাতালে যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে করোনা ওয়ার্ডের বর্জ্য, সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার  আশঙ্কা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯শে আগস্ট ২০২১ রাত ১১:১০

remove_red_eye

১৬৬

 

কামরুল ইসলাম: ভোলা  ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের বর্জ্য যত্রতত্র যেখানে খুশি ফেলা হচ্ছে। প্রতিদিন হাসপাতালের করোনা আক্রান্ত রোগীদের জমানো বর্জ্যগুলো তিন তলা থেকে ভবনের জানালা দিয়ে নিচে ফেলা হচ্ছে। এতে করে হাসপাতালের নিচে ও ভবনের গ্রিলে আটকে থেকে দুর্গন্ধ তৈরী হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ময়লা অপসারণ না করায় একদিকে যেমন ভবন ভিতরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, অন্যদিকে হাসপাতালের নিচে ময়লার স্তুপে পরিনত হয়েছে। এত খারাপ করোনা সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার সকালে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, ওয়ার্ডের প্রতিটি ফ্লোরে যত্রতত্র ব্যবহৃত মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস সহ বিভিন্ন আবর্জনা পড়ে রয়েছে। একই অবস্থা হাসপাতালের আইসিইউ ওয়ার্ডেও। হাসপাতালটির তৃতীয় তলায় আইসিইউ ওয়ার্ডের পাশ দিয়েই প্রতিদিন ময়লাগুলো উপর থেকে নিচে ফেলে দেয়া হয়। এতে করে ময়লাগুলো হাসপাতালের রেলিং ও জানালার গ্রিলে আটকে থেকে দুর্গন্ধ তৈরী হচ্ছে। এতে করে সেখানে থাকা রোগীরা দুর্গন্ধের মধ্যেই দিন পার করতে হচ্ছে। হাসপাতালের আইসিইউ ওয়ার্ডে থাকা এক রোগীর স্বজন মো. মোশারফ হোসেন জানান, গত দুই দিন ধরে কোনো ক্লিনার আইসিইউ রুম পরিষ্কার করে না। এতে করে ভিতরে ময়লার স্তুপ জমে আছে। আর পুরো হাসপাতালটিতে যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা পরে রয়েছে। এছাড়াও আইসিইউ রুমের পাশ দিয়ে প্রতিদিন ময়লা আবর্জনা ফেলানোর ফলে এখানে দুর্গন্ধ তৈরী হচ্ছে। অপর রোগীর এক স্বজন জানান, করোনা ইউনিটে যে সকল পরিচ্ছন্নকর্মী রয়েছে। তারা ঠিকমত ময়লা পরিষ্কার না করায়। পুরো হাসপাতালটি এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। দুই তিন দিন পর মাঝে মধ্যে যা পরিষ্কার করে তাও ময়লাগুলো উপর থেকে ফালানোর কারনে ময়লা আটকে দুর্গন্ধ তৈরী হয়। এতে করে রোগীরা আরো অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো দীর্ঘদিন ময়লাগুলো এক যায়গায় থাকায় এ থেকে ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. সিরাজ উদ্দিন জানান, এতদিন ভবনের পিছনের জানালার গ্লাস খোলা থাকায় ময়লাগুলো উপর থেকে নিচে ফালনো হতো। সে গ্লাসগুলো এখন বন্ধ করো দেয়া হয়েছে। এবং শ্রমিক নিয়ে আগের ফালানো ময়লাগুলো পরিষ্কার করে পৌরসভার গাড়ীতে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সামনে থেকে ডাস্টবিন ছাড়া অন্য কোথাও ময়লা ফেলানো যাবে না।