অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭ই আশ্বিন ১৪২৮


ভোলা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে অবশেষে টিকা কার্যক্রম শুরু


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ই আগস্ট ২০২১ সকাল ০৬:১৩

remove_red_eye

১৬৮

বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় জেলার জেনারেল  হাসপাতালের টিকা ইউনিটের পাশ দিয়ে যেতে হতো নমুনা পরীক্ষার জন্য আসা উপসর্গে আক্রান্ত রোগীরা। গত ৭ দিন ধরে টিকা প্রার্থীদের উপচে পড়া ভীড়ে ভেঙে পড়ে স্বাস্থ্যবিধি। এমন বেসামাল পরিস্থিতি দ্রুত  সামাল দিতে, টিকা কেন্দ্র সরানোর  নির্দেশ দেন ভোলার অভিভাবক সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। অবশেষে মঙ্গলবার হাসপাতালের ক্যাম্পাস থেকে টিকা গ্রহনের সিনোফার্ম প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ কার্যক্রম  ভোলা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করা হয়। সকাল ৮টা থেকে টিকা নিতে আসেন তিন হাজার মানুষ। সরকারি কলেজের ৫টি ডিপার্টমেন্ট ভবনে ৮টি বুথে এক যোগে ৩ হাজার মানুষকে টিকা প্রদান করা হয়।  ওই কেন্দ্র কার্যক্রম মনিটরিং করেন সিভিল সার্জন ডাঃ কেএম শফিকুজ্জামান , ভোলা সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলাম জাকারিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ, প্রেসক্লাব সম্পাদক অমিতাভ রায় অপু, স্কাউট লিডার মোঃ মনিরুল ইসলাম । ছিলেন হাসপাতালের আরএমওসহ  স্কাউট ও রেডক্রিসেন্ট কর্মীরা। সিভিল সার্জন জানান , মঙ্গলবার পর্যন্ত জেলায় ৯৩ হাজার টিকা প্রদান করা হয়। অপরদিকে জেলার ৬৮ ইউনিয়ন ও ৩টি পৌরসভায় ৭ আগষ্ট এক দিনে ৪৬ হাজার ২শ জনকে গণটিকা দেয়া হয়। এক দিন পর গ্রাম পর্যায়ে টিকার কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ আসলে ফের ওই সব কেন্দ্রে টিকা দেয়া হবে। ভোলা কলেজ চত্বরে গিয়ে দেয়া যায়  প্রবেশ মুখে  বিবা নামের একটি বেসরকারি সংগঠন টিকা প্রার্থীদের স্যানিটাইজ করা, মাস্ক দেয়া , বুথ দেখিয়ে দেয়ার কাজ করছিল। অপর দিকে স্কাউট ও রেডক্রিসেন্ট কর্মীরা   নাম এন্টি করেন। প্রশিক্ষত ১৬ জন নার্স টিকা প্রদান করেন। নারীদের জন্য ছিল ৪টি আলাদা বুথ । সিভিল সার্জন জানান, এ কারনে ভীড় এড়ানো গেছে। বুধবার থেকে কেবল নিবন্ধিত ব্যাক্তিদের মধ্যে যারা মোবাইল ফোনে ম্যাসেস পেয়েছেন তারাই টিকা নেয়ার সুযোগ পাবেন। ভোলা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে সিনোর্ফাম সকল টিকা দেয়া হবে। অপরদিকে ভোলা হাসপাতালে কেবল অ্যাস্ট্রজিনিকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেয়া হচ্ছে। তবে যে টিকা রয়েছে তাতে আগামী ৫ দিন টিকা দেয়া সম্ভব হবে বলে জানান সিভিল সার্জন। এদিকে টিকা নিতে আসা ব্যাংকার আবু ইউছুফ,  ক্রীড়াবিদ মহিউদ্দিন, যুগান্তর স্বজন সমাবেশের সম্পাদক বিপ্লব পাল কানাই  জানান , কলেজের বিশাল ক্যাম্পাসে আলাদা আলাদা বুথ করায় টিকা দিতে জটিলতা হয়নি।  বৃষ্টি উপেক্ষা করেও ভোর থেকে মানুষ টিকা নিতে ছুটে আসতে দেখা যায় বলে জানান, স্কাউট লিডার মোঃ মনিরুল ইসলাম ।  গ্রামের মানুষরা টিকা নিতে বেশি আসছেন বলেও জানান মনির। এদিকে এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান  ভোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি  এম, হাবিবুর রহমান,নাজিউর রহমান কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ভোলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম. ফারুকুর রহমান,নাগরিক কমিটির সহসভাপতি প্রফেসর দুলাল চন্দ্র ঘোষ, ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলাম জাকারিয়া, এ রব স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ  সাফিয়া খাতুন , জাতীয় পাটি ( বিজেপি) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতনসহ অনেকেই সোসাইল মিডিয়ায় সাধুবাদ জানিয়ে পোষ্টদেন।