অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭ই আশ্বিন ১৪২৮


ইলিশা ঘাটে লকডাউন উপেক্ষা করে ফেরিতে যাত্রী উঠার চেষ্টা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬শে জুলাই ২০২১ ভোর ০৫:১৪

remove_red_eye

৯৮

অচিন্ত্য মজুমদার  : ঈদ-পরবর্তী সরকার ঘোষিত ১৪ দিনের চলমান লকডাউনের কঠোর বিধিনিষেধের তৃতীয় দিনে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীরা ভীড় করে।এ সময় তাদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি অথবা সামাজিক দূরত্ব মনে চলার কোন প্রবণতা ছিল না। লঞ্চ,  সি-ট্রাক বন্ধ থাকায় তারা ভোলা-লক্ষ্ীপুর রুট দিয়ে ফেরিতে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু কোস্টগার্ড, র‌্যাব ও পুলিশের বাঁধার কারণে তারা সকালে ফেরিতে উঠতে পারেনি। এ সময় বাঁধা উপেক্ষা করে কয়েকজন যাত্রী ফেরিতে উঠতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধাওয়া খেয়ে পল্টুন থেকে নদীতে পড়ে যায়। অপর দিকে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে কঠোর লকডাউন দেয়া হলেও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে  ভোলা থেকে উত্তাল মেঘনা নদী পাড়ি দিয়ে লক্ষীপুর রুটে যাত্রী পারাপার করেছে। এত করে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।  রবিবার সকালে এ দৃশ্য ভোলার ইলিশা ফেরিঘাট এলাকায় দেখা যায়।

রবিবার (২৫ জুলাই) সকালে ফেরিঘাটে কয়েক শত যাত্রী অপেক্ষায় ছিলেন। ফেরি ঘাটে আসার পর তারা ফেরিতে উঠতে চেষ্টা করে। এসময়  আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাধা দিলে বেরিকেট ভাঙার  চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড ও র‌্যাবের সদস্যরা ধাওয়া করলে  তিন যাত্রী নদীতে পরে যায়। পরে তারা সাঁতরে পারে উঠতে সক্ষম হয়। যাত্রীরা বলছে তারা বাধ্য হয়ে, চাকরি বাঁচাতে জরুরী  প্রয়োজনে লকডাউনের ভেতরেও ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। কিন্তু যেতে না পেরে তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।
এদিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবু আবদুল্লাহ খান জানান, লকডাউনে ইলিশা ফেরিঘাটে সকাল থেকে যাত্রীদের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাদেরকে আমরা বুঝিয়ে বাড়ি ফেরানোর চেষ্টা করছি। ঘাটে ফেরি আসার এক পর্যায়ে যাত্রীরা আমাদের বাঁধা অতিক্রম করে ফেরিতে উঠতে গেলে তিনজন নদীতে পরে যায়। পরে স্থানীদের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা হয়।
ভোলা জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী জানান, ফেরি ও লঞ্চঘাটে আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি টিম রয়েছে। তাদের পাশাপাশি র‌্যাব, কোষ্টগার্ড, নৌ-পুলিশ ও জেলা পুলিশ সদস্যরা ঘাটে অবস্থান করছেন। বিদেশেগামী যাত্রী ও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ফেরিতে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না।