অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৪শে জুলাই ২০২১ | ৯ই শ্রাবণ ১৪২৮


টিকা দেয়ার যে কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন এটা ঐতিহাসিক প্রশংসিত : তোফায়েল আহমেদ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯শে জুলাই ২০২১ ভোর ০৪:৫৭

remove_red_eye

২৪

 

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ,সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ভোলা- আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, করোনাকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছেন তা শুধু বাংলাদেশে নয়, দেশের বাইরেও প্রশংসিত হয়েছে। দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে করোনা কালিন সময়ে অর্থনীতিকে সাফল্য এনেছেন। আমাদের প্রবৃদ্ধি ভালো হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য কোনটাই ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষতি হতে পারেনি। মেহনতী মানুষজনকে প্রধানমন্ত্রী বার বার সাহাজ্য করছেন।  তিনি আরো বলেন, পৃথিবীতে খুব কম দেশেই আছে বিনা পয়সায় নাগরিকদের বিনামূল্যে কোভিড টিকা দেয়া হচ্ছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশের গরীব দু:খি মানুষের কথা চিন্ত করে প্রত্যেককে বিনামূল্যে টিকা দেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। সেখানে আমাদের কারো কোন টাকা দিতে হয় নাই। বিনা টাকায় টিকা দেয়া হয় এটা একটা ঐতিহাসিক ঘটনা। এমনকি বাংলাদেশের বাজেটে কেভিড টিকার জন্য অনেক টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা আসছে। টিকা দেয়ার যে কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন এটা অত্যান্ত ঐতিহাসিক  এবং পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় প্রসংসিত।

রবিবার সকালে ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নিন্ম আয়ের অসহায় দুস্থদের মাঝে  পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক সহায়তা নগদ অর্থ বিশেষ উপহার বিতরণ অনষ্ঠানে ঢাকা থেকে টেলিকনফারেন্সে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নে এত কাজ করেছেন যে, বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর মধ্যে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে পরিচয় লাভ করেছে। তিনি সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিরলশ পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাই আগামী দিনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে করোনা মহামারীর হাত থেকে রক্ষা করার আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি। এসময় তিনি সকলকে স্বাস্থবিধি মেনে চলার আহবান করেন।

তোফায়েল আহমেদ আরো বলেন,  ভোলার অনেক উন্নয়ন হয়েছে। রাস্তাঘাট পুল কালভাট। ব্যাপক উন্নয়ন আমরা করেছি। ইতোপূর্বে ভোলায় অনেক মন্ত্রী ছিলো, এমনকি পানি সম্পাদ মন্ত্রী ছিলো মেজর হাফিজ। কিন্তু  নদী ভাঙ্গার হাত থেকে ভোলাকে রক্ষা করেনি। কিন্তু আমি নদী ভাঙ্গার হাত থেকে ভোলাকে রক্ষা করেছি।  আমরা আশা করি ভোলা-বরিশাল ব্রীজ হয়ে মূল ভূ খন্ডের সাথে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ভোলা সংযুক্ত হবে। প্রধানমন্ত্রী নিরালস পরিশ্রম করে চলেছেন।

কাচিয়া  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম নকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো: মোশারেফ হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো: ইউনুছ, জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আজিজ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার নগদ অর্থ মানবিক সহায়তা ভিজিএফ চাল ৩০ হাজার পরিবারকে বিতরণের দ্বিতীয় দিনে কাচিয়া, রাজাপুর, ইলিশা, বাপ্তা শিবপুর ইউনিয়নে  বিতরণ করা হয়।