অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৪শে জুলাই ২০২১ | ৯ই শ্রাবণ ১৪২৮


ভোলায় নৌযানে হাজার হাজার যাত্রী ঈদ উপলক্ষে বাড়ি ফিরছে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ই জুলাই ২০২১ রাত ১১:৫২

remove_red_eye

৪৫



স্বাস্থ্যবিধির কোন তোয়াক্কা করছে ে না কেউ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : কঠোর লকডাউন শিথিল করার দ্বিতীয় দিন শুক্রবার আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে দ্বীপ জেলায় ভোলায় সকাল থেকেই  নৌ রুটে কয়েক হাজার যাত্রী বাড়ি ফিরেছে। ঢাকা চট্টগ্রাম কুমিল্লা ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শুক্রবার সকালে লক্ষীপুর হয়ে  সি-ট্রাক, ট্রলার ও লঞ্চ যোগে যাত্রীরা ভোলার ইলিশা ঘাটে এসে পৌঁছে।শুধু লক্ষ্মীপুরই নয়, ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকেও লঞ্চ যোগে হাজার হাজার যাত্রী ভোলায় এসেছে। এসময় ঈদ করতে ভোলায় আসা যাত্রীদের ঢল নামে। লঞ্চ ও সি- ট্রাকে এ সময় তিল ধারনের কোন জায়গা ছিল না। স্বাস্থ্যবিধির কোন তোয়াক্কা না করে ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে গাদাগাদি করে বিআইডবব্লউটিসি'র সরকারি এসব নৌযানে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সিটে বসার কথা থাকলো তা মানা হয়নি। যাত্রীদের  অনেকেরই মুখে মাস্ক ছিলো না। স্বাস্থ্য বিধি মানার ব্যাপারে নৌযান কর্তৃপক্ষের ছিল না কোনো তৎপরতা। এমনকি নির্ধারিত ভাড়ার চাইতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভোলার মেঘনা নদীর ডেঞ্জার জোন দিয়ে লক্ষীপুর থেকে ছোট ছোট ট্রলারে করে শত শত যাত্রী পারাপার করা হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছিল না কোনো তৎপরতা। তবে ভোলা ল²œীপুর রুটে ফেরিতে যাত্রীদের তেমন কোনো চাপ ছিল না।
এ ব্যাপারে বিআইডবিøটিএর ভোলা নদী বন্দরের উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, মূলত ল²ীপুর মজুচৌধুরীর ঘাট থেকে লঞ্চ ও সি-ট্রাকগুলো অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ভোলার উদ্দেশ্যে আসে। ওই ঘাট থেকে এদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা গেলে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানানো সম্ভব হতো। তিনি আরো বলেন, ডেঞ্জার জোনে কোনমতেই চলার চলতে দেওয়া হবে না। এ ব্যাপারে নজরদারি বাড়ানোর ব্যাপারে প্রশাসনের সাথে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।