বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩ই জুলাই ২০২১ রাত ০৯:৫০
৮২৮
অচিন্ত্য মজুমদার :কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ভোলায় সবার দৃষ্টি কেড়েছে প্রায় এক টন ওজনের ষাঁড় ‘লালু’। জেলার সদর উপজেলার পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড কালীবাড়ি এলাকার খামারি গালিব ইবনে ফেরদৌস এই ষাঁড়টি দুই বছর ধরে পালন করছেন। জেলার সবচেয়ে সুদর্শন ও বড় হিসেবে আলোচিত গরুটি দেখতে প্রতিদিন তার বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন উৎসুক জনতা। দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন ক্রেতারাও। মালিক দাম হাঁকছেন ৬ লাখ টাকা। তবে বাড়ি থেকে কেউ কিনতে চাইলে দরদাম করে বিক্রি করবেন।
এনটিক ডেইরী লিমিটেডের মালিক খামারি গালিব ইবনে ফেরদৌস জানান, হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়ের ওজন এখন প্রায় ১০০০ কেজি। প্রতিদিন এর ওজন এক কেজি করে বাড়ছে। সারাদিনই ‘লালু’র যত্ন করতে হয়। খাওয়ানো, গোসল করানো ও পরিচর্যাসহ সবকিছু লক্ষ্য রাখতে হয়। শুধু লালুর পরিচর্যার জন্যই খামারে দুই জন শ্রমিক কাজ করেন। ৪০ মাস বয়সী চার দাঁতের এই গরুটিকে এখন প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০ কেজি করে খাবার দিতে হচ্ছে। খাবারের তালিকায় রয়েছে নিজস্ব ক্ষেতের কাঁচা ঘাস, শুকনো খড়, গমের ভুষি, খেসারির ভুষি, ভুট্টাভাঙা, সোয়াবিন, সরিষার খৈল, চালেরগুড়া ও পানি। এর উচ্চতা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি ও লম্বায় ১০ ফুট। শুধু সদর উপজেলায় নয়, জেলার মধ্যে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বড় ও সুন্দর গরুর তালিকায় ‘লালু’ অন্যতম।
খামারি গালিব ইবনে ফেরদৌস আরো জানান, সিরাজগঞ্জ জেলার এক খামারির কাছ থেকে দুই বছর আগে এক বছর বয়সী ‘লালু’কে কিনেছিলেন তিনি। কেনার পর এটিকে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজা করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। এর খাবারের চাহিদা মেটানোর জন্য বাড়ির পাশে একটি দুই একর ঘাসের জমিও করেছেন তিনি। ভালো দামে এবার গরুটি বিক্রি করতে পারলে আগামীতে এ ধরনের আরো গরু তৈরি করতে তিনি উৎসাহ পাবেন বলেও জানান। তার খামারে এখন বিভিন্ন জাতের ২৩ গাভী রয়েছে। এর মধ্যে ৮টি গাভী নিয়মিত দুধ দিচ্ছে। এছাড়া ৭ থেকে ১২ মাস বয়সি আরো ১৫টি গাই বাছুর রয়েছে।
ভোলা সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেনারি সার্জন ডা. শাহীন মাহামুদ বলেন, গরুটির মালিক একজন সফল উদ্যোক্তা। “এনটিক ডেইরী লিমিটেড” নামে তিনি একটি খামার গড়ে তুলেছেন। এবার প্রথম বড় জাতের গরু মোটাতাজা করেছেন তিনি। গরুটি লালন-পালনে খামারি গালিব ইবনে ফেরদৌস কোনো ধরনের হরমোন বা স্টেরয়েড ব্যবহার করেন নি বলেও জানান তিনি।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ইন্দ্রজিৎ কুমার মন্ডল জানান, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এবার ১ লাখ ৬ হাজার ৯৫৪টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে জেলায় কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৬০টি। এর মধ্যে অনেক জায়গায় বড় বড় গরু মোটাতাজাকরণ হচ্ছে। এগুলোর নিয়মিত খোঁজ রাখা হচ্ছে। তবে জেলা শহরের এ গরুটি সবচেয়ে নান্দনিক এবং সুন্দর গরু। জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় গরুটি পালনে বিভিন্ন পরামর্শ ও টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিয়েছে। আশা করছি খামারি এটির ন্যায্য মূল্য পাবেন।
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী
ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান হলেন স্পিকার
সবার জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী
ভোলায় মৎস্যজীবী দলের ৩৯ সদস্যের কমিটি অনুমোদন
ভোলায় এখন টিভির সাংবাদিকের বাসায় দুধর্ষ চুরি
লালমোহন উপজেলা ও পৌরসভার ছাত্রদলের কমিটি হওয়ায় আনন্দ মিছিল
লালমোহনে অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত