অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৪শে জুলাই ২০২১ | ৯ই শ্রাবণ ১৪২৮


সরকার ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম কমিয়ে আনার ব্যাপারে আন্তরিক : ভোলা জেলা প্রশাসক


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ই জুন ২০২১ রাত ১১:৪৬

remove_red_eye

৬৪

শিশু শ্রমের হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে নিয়ে ভোলায় শিশু শ্রম পরিবীক্ষন কমিটির সভা
 
 বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক :   শিশু শ্রমের হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে নিয়ে ভোলায় শিশু শ্রম পরিবীক্ষন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ জুন) সকালে  জেলা প্রশাসন  এর আয়োজনে ভোলা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ভোলা জেলা প্রশাসক মো: তৌফিক ই-লাহী- চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজিত হাওলাদার,  যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো: শামছুদ্দিন, জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মামুন আল ফারুক প্রমুখ। সভার শুরুতেই শিশু শ্রম নিরসনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার মো: রিদুয়ানুল ইসলাম।

 এসময় জেলা প্রশাসক মো: তৌফিক ই-লাহী- চৌধুরী  বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে কারণে বাংলাদেশের দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবারের শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ফিরে যাচ্ছে। ফলে শিশু শ্রম বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সরকার ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম কমিয়ে আনার ব্যাপারে আন্তরিক। এই লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে  ২০২৫ সালের মধ্যে সব ধরনের শিশুশ্রম নির্মূল করা সম্ভব হবে। এর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত পরিবার গুলোকে চিহিত করে তাদের অর্থনৈতিক ভাবে পারিবারিক স্বচ্ছলতা আনতে হবে। এর মাধ্যমেই শিশু শ্রম অনেকাশেংই নিরসন করা সম্ভব হবে বলে জানান।
 এসময় জেলা প্রশাসক আরো বলেন,একটি উন্নত জাতি গঠনে শিশুশ্রম নিরসনের কোনো বিকল্প নেই। শিশু শ্রম নিরসনে সবাইকে যারযার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিওকে শিশু শ্রমের উপরে জরিপ করে সেক্টের চিহিত করার কথা জানা।
 এসময় বক্তারা বলেন,বর্তমানে করোনা মহামারিতে অর্থনৈতিক ও শ্রম বাজারে বড় ধাক্কা, মানুষের জীবিকার ওপর বিরাট প্রভাব পড়েছে।দুর্ভাগ্যবশত এই সংকট শিশুদের শিশুশ্রমের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। দারিদ্র্যের কারণে শিশুদের নামতে হচ্ছে কাজে। করোনা মহামারিতে স্কুল বন্ধ থাকায় নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের কাজে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে। তাই বাড়ছে শিশু শ্রম। তাই দ্রæত স্কুল কলেজ খুলে দেয়ার দাবি জানন। এছাড়াও স্কুল গুলোতে মিড- ডে মিল চালু রাখার কথা জানান। এছাড়াও অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, শিশুদের অর্থিক ও গারিগরি শিক্ষার নিশ্চিত করতে হবে, ঝুঁকিপূর্ণ শিশু নিরসনে জরিপ করা,শ্রমজীবী শিশুদের স্কুলে ভর্তির পরে তাদের নজরদারি মধ্যে রাখতে হবে বলে জানান। এছাড়াও সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী বৃদ্ধি করার দাবি করেন।   
 এসময় আরো বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক ইকবাল হোসেন,সমাজসেবা অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক নজরুল ইসলাম,শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো: আখতার হোসেন, ভোলা সদর মডেল থানার ইনেসপেক্টর পুলিশ পরিদর্শক মো: আরমান হোসেন, সাংবাদিক আদিল হোসেন তপু,গোপাল চন্দ্র দে, এনসিটিএফ এর সভাপতি সাফায়েত সিয়াম  প্রমুখ।