অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২৫শে জুলাই ২০২১ | ১০ই শ্রাবণ ১৪২৮


ভোলায় জমির বিরোধ নিয়ে ৪ জনকে পিটিয়ে আহত


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ই জুন ২০২১ রাত ১১:৫৭

remove_red_eye

৭৫

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলা জমি বিরোধের জেরে বাড়ি-ঘরে হামলা করে নারী-শিশুসহ চারজনকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। আহতরা হলেন মো. জসিম, তার স্ত্রী বিবি আয়েশা, মেয়ে মরিয়ম, ভাতিজা আব্দুর রহমান। এদের বাড়ি সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ছোট আগলী গ্রামে। শনিবার দিবাগত রাতে ওই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা বর্তমানে ভোলা সদর হাসপাতালের পুরুষ সার্জারী ও মহিলা মোডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আহত মো. জসিম জানান, তার দাদা সুলতান আহমদের ১৯৬২ সালে ক্রয়কৃত ছোট আলগী মৌজার ১৯২ খতিয়ানের ২০ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন দিন ধরে স্থানীয় মো. বশার গংদের সাথে বিরোধ চলে আসছে। জমি নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বেশ কয়েকবার সালিশ হয়েছে। গত এক বছর আগে স্থানীয় চেয়ারম্যান জমির কাগজপত্র দেখে সালিশি মিমাংশার মাধ্যমে আমাদেরকে জমি বুঝিয়ে দেয়। এর পর থেকে আমরা ওই জমিতে বাড়ি-ঘর করে বসবাস করে আসছে। এরই মধ্যে জমির নামজারি বাতিলের জন্য বশার গংরা মামলা করে। মামলায় দুইবার করে আমাদের পক্ষে রায় হয়। এর পর তারা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ৬ জুন ২০২১ইং তারিখে একটি মামলা করেন। আদালত আগামী ২৬ জুলাই মামলার তারিখ নির্ধারণ করে ওই জমির ওপর পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
তিনি আরো জনান, এত কিছুর পরও মো. বশার, তার ভাই আব্দুস সাত্তার, আব্দুস সাত্তারের ছেলে আসাদ, চাচাতো ভাই আব্দুর কাদের, আব্দুল কাদেরের ছেলে মো. ফারুক, রফিক হাওলাদার, ও হাসানসহ ১৫-২০ জন মিলে লাঠিসোঁটা নিয়ে শনিবার সন্ধয়ায় আমাদের বসত ঘরে হামলা চালায়। প্রথমে তারা আমার ১৪ বছর বয়সী কন্যাকে মারধর শুরু করে বিবস্ত্র করে ফেলে। এ অবস্থায় আমি ও আমার স্ত্রী বিবি আয়েশা এবং ভাতিজা আব্দুর রহমান এগিয়ে এলে আমাদেরকেও মারধর করে হামলাকারীরা। এবং তাদের ঘরও ভাংচুর চালায় তারা। খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশ যাওয়ার পরও পুলিশের সামনে আমাদেরকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় আমাদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এঘটনায় আহত বিবি আয়েশা বাদী হয়ে ভোলা থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. বশার ও আব্দুস সাত্তারকে একাধিকবার ফোন করেও ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য নেয়া যায়নি।
ভোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনায়েত হোসেন জানান, এঘটানায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।