বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭ই মে ২০২১ রাত ০৯:৩১
৯৪৩
বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : একই জাতের ধান বারবার একই জমিতে চাষ করে কৃষকরা প্রতিনিয়ত ক্ষতির মুখে পড়ে। তাই বিভিন্ন সময়ে গবেষনায় উদ্ভাবিত জাতের ধান চাষ করলে আর লোকশানে পড়তে হয়না কৃষকের। কৃষকের সফলতা ও উৎপাদন বাড়াতে নতুন উদ্ভাবিত জাত রোপন করা প্রয়োজন।
পরিবর্তনই নিয়ম। পরিবর্তনে আসে সাফল্য। ধান চাষের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য এই কথা। একই জাতের ধান বছরের পর বছর না লাগিয়ে পরীক্ষাগারে উদ্ভাবিত নতুন জাতগুলোর উপর জোর দিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো। আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি), বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজেইউএস) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন এগ্রি- ইরি প্রকল্পের আওতায় ভোলা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সর্বশেষ উদ্ভাবিত ধানের জাতসমূহের ফলনের উপযোগিতা যাচাই এর জন্য প্রদর্শণী প্লট স্থাপন করা হয়। এবছর প্রদর্শিত জাতসমূহ হল ব্রি ধান ২৮ ও ব্রি ধান ২৯ এর তুলনায় ব্রি ধান ৯২, ব্রি ধান ৮৯, ব্রি ধান ৮৮, ব্রি ধান ৮৪, ব্রি ধান ৮১, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৬৭, ব্রি ধান ৫৮, বাউধান ৩ এবং বিনাধান-২৪ মাঠ পর্যায়ে কেমন ফলন দেয়।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, একই মাটি ও জলবায়ুতে বছরের পর বছর একই জাতের ধানের চাষাবাদ করলে ফলন কমতে বাধ্য। তখন চাষিরা অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করেন, যা মাটির স্বাস্থ্যের পক্ষে আরও ক্ষতিকর। তাই ফসলে বৈচিত্র না আনতে পারলেও অন্তত জাতে নতুনত্ব আনা জরুরি। আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) এর বৈজ্ঞানিকদের তথ্যমতে, বর্তমানে যে সকল জাতের চাষাবাদ হচ্ছে তাতে রোগবালাই বেশি হওয়ার পাশাপাশি ফলনও কম। তাদের কথায়, নতুন উদ্ভাবিত জাতসমূহের ফলন পরীক্ষাগারে তুলনামূলক বেশি। তবে পরীক্ষাগার আর চাষির নিজের জমিতে চাষ এক নয়। পরীক্ষাগারের বাইরে চাষিদের ক্ষেতেও ওই ফলন হয় কিনা দেখার জন্য চলতি বছরের বোরো মৌসুমে ভোলা জেলার ৪টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা হচ্ছে এই জাতগুলো।
রাজাপুর ইউনিয়নের কৃষক মো: তছির আহমেদ বলেন, অনেক আগ থেকেই আমাদের জমিতে ইরাটম, বেলম্বর ধানের চাষাবাদ করে আসছি। তিনি বলেন, “বিঘাপ্রতি খরচ হযে যায় প্রায় ১২-১৪ হাজার টাকা কিন্তু ফলন অত্যন্ত কম। আমরা আর নতুন জাত পাব কোথায়। এখন গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা নতুন জাতের বীজ দেয়ায় আমি খুব লাভবান। চলতি বছর থেকে চাষাবাদ শুরু করেছি।
গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার সহকারি পরিচালক কৃষিবিদ মো: আবু বকর বলেন, “ফলন বেশি ছিল বলেই পুরোনা দিনের ধানের জাতগুলিকে সরিয়ে একদিন জায়গা করে নিয়েছিল আধুনিক জাতগুলো। তাদের মধ্যে ব্রি ধান ৯২, ব্রি ধান ৮৯, ব্রি ধান ৮৮, ব্রি ধান ৮৪, ব্রি ধান ৮১, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৬৭, ব্রি ধান ৫৮, বাউধান ৩ এবং বিনাধান-২৪ মাঠ পর্যায়ে কেমন ফলন দিয়ে চাষিদের মন জয় করতে পারবে।
ভালোবাসার এক অদ্ভুত রসায়ন মান্নান স্যার
লালমোহনে মা ইলিশ সংরক্ষণে টাস্কফোর্সের সভা ২২ দিন নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ
লালমোহনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা
তজুমদ্দিনে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে গিয়াস
ভোলায় তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষানবিশ নির্বাচনে কমিউনিটি আউটরিচ সভা
দৌলতখানে সদ্য যোগদানকৃত শিক্ষকদের এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ভোলায় শিক্ষকদের মর্যাদা ও সুরক্ষার আহ্বান
বিশ্ব বসতি দিবসে ভোলায় পরিকল্পিত বসতি গড়ার আহ্বান
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত