অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ১২ই মে ২০২৬ | ২৯শে বৈশাখ ১৪৩৩


চাঁদাবাজির খতিয়ান দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ই মে ২০২৬ বিকাল ০৪:৫০

remove_red_eye

৩৩

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিরোধীদলীয় নেতার কাছে যদি চাঁদাবাজি বেড়েছে সেই খতিয়ান থাকে আমার কাছে দিলে বা আপনারা দিলে সেই জায়াগাটা এড্রেস করতে পারবো। কোথায় চাঁদাবাজি বৃদ্ধি পেলো সেই তালিকা পেলে ব্যবস্থা নেবো।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কোরবানির পশুরহাটের নিরাপত্তা ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সম্প্রতি দাবি করেন, চাঁদাবাজির কারণে বাজারে পণ্যের দাম বেড়েছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘চাঁদাবাজি কোথায় বেড়েছে, সেই তথ্য পেলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারব।’

গত ৩০ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী, মাদক কারবারি ও জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলছে। বিশেষ করে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের গ্রেফতারে জোর দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তর, ডিএমপি ও জেলা পুলিশ সুপারদের নিয়মিতভাবে অভিযানের অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, সেই তালিকাটা আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে বিরোধীদলীয় নেতার কাছে যেতে পারে। অথবা পত্রিকায় আমরা প্রকাশ করতে পারি আরও বেশি করে। কোথায় চাঁদাবাজি বৃদ্ধি পেলো সেই তালিকা পেলে ব্যবস্থা নেব।

এর আগে রাজধানীর মিরপুর-১ এর শাহ আলী পাইকারি বাজার পরিদর্শন করেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরিদর্শনকালে ব্যবসায়ীরা বিরোধীদলীয় নেতার কাছে অভিযোগ তুলে বলেন, সরকারিভাবে পাঁচ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া রাজধানীর মিরপুর শাহ আলী কাঁচাবাজারে দোকান দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত ভাড়া দিচ্ছে বরাদ্দ পাওয়া মালিকরা। যেটা ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি চাপ, সঙ্গে চলছে নীরব চাঁদাবাজি। কারা করছে চাঁদাবাজি তা বলতেও ভয় পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

এ প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় বলেন, প্রতিরোধ করতে হবে সম্মিলিতভাবে। ব্যবসায়ীরা চাইলে প্রতিরোধের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।তিনি সংসদের শেষ অধিবেশনের শেষ দিবসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে বলেন, আমি বলেছিলাম, সংসদ সদস্যরা যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে বাংলাদেশের চাঁদাবাজি হবে না, তাহলে কেউ করার সাহস করবে না। আমরা চাই, চাঁদাবাজিটা বন্ধ হোক।