অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৬ই বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত, ভোলা-লক্ষীপুর নৌ রুটে ৯ ঘন্টা ফেরি চলাচল বন্ধ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩রা জানুয়ারী ২০২৬ বিকাল ০৪:৩৮

remove_red_eye

৫৫৮

মোঃ আমির হোসাইন : উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলায় কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ।তীব্র শীত উপেক্ষা করে ভোরে কাজের সন্ধানে এসে শহরে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে তাদের।তবে শীত বেশী হওয়ায় তেমন কাজ নেই বলে জানান তারা । এক ই সাথে ঘন কুয়াশার কারনে ভোলা - লক্ষীপুর নৌ রুটে নৌযান চলাচল ব্যাহত হয়।
ভোলা লক্ষীপুর নৌ রুটের ব্যবস্থাপক মোঃ কাওসার জানান, ঘন কুয়াশার কারণে বৃহস্পতিবার রাত ২ টা থেকে শুক্রবার সকাল ১১ টা পর্যন্ত ৯ ঘন্টা ভোলা লক্ষীপুর নৌ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। এতে দূরপাল্লার যানবাহন গুলো বিপাকে পড়ে।
 শুক্রবার সকালে শহর ঘুরে দেখা গেছে কনকনে শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে শ্রমজীবী মানুষদের সড়কের পাশে অনেকে আগুন জ্বেলে তাপ নিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করে। 
 টানা প্রায় অর্ধ মাসের শৈত্য প্রবাহে নাকাল হয়ে পড়েছে জনজীবন। এ শীতের সবচেয়ে নাকাল হয়ে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধসহ খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ। শীত জনিত রোগ ঠান্ডা, সর্দি, কাশি, হাঁপানি, রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। জরুরী কাজ ছাড়া বাড়ির বাইরে যেতে পারছে না অনেকেই শীত নিবারনের জন্য হতদরিদ্র ছিন্নমূল মানুষ উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধ সহ সমাজ সেবকদের কাছে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন , শীতবস্ত্র পাওয়ার আশায়।
প্রচন্ড শীতে ঘর থেকে বের হতে না পেরে, অনাহারে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। 
যারা কায়িক শ্রম করে সংসার চলা তো শীত বস্রের অভাবে খরকুটো জ্বালিয়ে, শীত নিরাপদ নিবারণ করতে দেখা গেছে। ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর, ইলিশা সহ বিভিন্ন এলাকার এলাকার মানুষের জীবনে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কনকনে শীতে গৃহ গৃহপালিত পশু এছাড়া ও গবাদি পশু প্রাণীকুল শীতের কবল থেকে রেহাই পাইনি।
দীর্ঘ চার পাঁচ দিন রৌদ্র না থাকার কারণে, দক্ষিণ রাজাপুরের গৃহপালিত প্রাণী, হাঁস মুরগি মরতে দেখা গেছে। 
শীত জনিত রোগে প্রায় প্রতিদিন ভোলা সদর হাসপাতালে, চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে শিশু বৃদ্র বণিতার।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন রাজাপুর ও ইলিশা ইউনিয়নের জেলে পল্লীর মানুষ। বেশি ঠান্ডার কারণে তারা নদীতে মাছ ধরার জন্য যাইতে পারছে না। এ ব্যাপারে রাজাপুর জোড়া খালের মানতা জনগোষ্ঠী আনোয়ারা খাতুন (৭৫) জায়েদা খাতুন (৭০) কাশেম সরদার (৭৫) খুরশিদ সদ্দার (৪০) 
রোকন সদ্দার (৩৫) সহ আরো অনেকেই জানান, তারা চরম বিপাকে পড়েছেন,ঘন কুয়াশা ঠান্ডার কারণে নদীতে মাছ ধরতে যাইতে পারছেন না।
দক্ষিণ রাজাপুরের নদীর পাড়ের রোকেয়া বিবি জানান, ঠান্ডার কারণে কথা বলতে পারছে না ওষুধ কিনে খাবার তোফিক নাই। 
মেঘনা নদীতে ঘর বাড়ি সম্পদ জমিজমা সবকিছু নিয়ে গেছে। একই গ্রামের জামেলা খাতুন জানান, শীতের কথা কি বলবো , মাথা গুজানোর মত একটি ঘরও নেই আমার, একটি মেয়ে নিয়ে, খরকুটা ত্রিফল, কাগজ দিয়ে, কোনরকমে নদীর পাড়ে বসবাস করি। আল্লাহ ছাড়া আমাকে দেখার কেউ নেই।মোঃ আমির হোসাইন, রাজাপুর, পৌষ মাসের শুরু থেকেই কনকনে শীতের ঝাকুনি আর কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে ভোলা অঞ্চল।
টানা অর্ধ মাসের শৈত্য প্রবাহে কাইল হয়ে পড়েছে জনজীবন। 
এ শীতের সবচেয়ে কাবু হয়ে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধসহ খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ। শীত জনিত রোগ ঠান্ডা, সর্দি, কাশি, হাঁপানি, রোগে  আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। জরুরী কাজ ছাড়া বাড়ির বাইরে যেতে পারছে না অনেকেই শীত  নিবারনের জন্য  হতদরিদ্র ছিন্নমূল মানুষ উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধ সহ সমাজ সেবকদের কাছে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন , শীতবস্ত্র পাওয়ার আশায়।
প্রচন্ড শীতে ঘর থেকে বের হতে না পেরে, অনাহারে প্রায় না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। 
যারা কায়িক  শ্রম করে সংসার চলা তো শীত বস্রের অভাবে খরকুটো জ্বালিয়ে, শীত নিরাপদ নিবারণ করতে দেখা গেছে। ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর, ইলিশা সহ বিভিন্ন এলাকার এলাকার মানুষের জীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। কনকনে শীতে গৃহ  গৃহপালিত  পশু এছাড়া ও গবাদি পশু প্রাণীকুল শীতের কবল থেকে রেহাই পাইনি।
দীর্ঘ চার পাঁচ দিন রৌদ্র না থাকার কারণে, দক্ষিণ রাজাপুরের গৃহপালিত প্রাণী, হাঁস মুরগি মরতে দেখা গেছে। 
শীত জনিত রোগে প্রায় প্রতিদিন ভোলা সদর হাসপাতালে, চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে শিশু বৃদ্র বণিতার।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন রাজাপুর ও ইলিশা ইউনিয়নের  জেলে পল্লীর মানুষ। বেশি ঠান্ডার কারণে তারা নদীতে মাছ  ধরার জন্য যাইতে পারছে না।  এ ব্যাপারে   রাজাপুর জোড়া খালের মানতা জনগোষ্ঠী আনোয়ারা খাতুন (৭৫) জায়েদা খাতুন (৭০) কাশেম সরদার (৭৫) খুরশিদ সদ্দার (৪০) 
রোকন সদ্দার (৩৫)  সহ আরো অনেকেই জানান, তারা চরম বিপাকে পড়েছেন,ঘন কুয়াশা ঠান্ডার কারণে নদীতে মাছ ধরতে যাইতে পারছেন না।
দক্ষিণ রাজাপুরের নদীর পাড়ের রোকেয়া বিবি জানান,  ঠান্ডার কারণে কথা বলতে পারছে না ওষুধ কিনে খাবার তোফিক নাই। 
মেঘনা নদীতে  ঘর বাড়ি  সম্পদ  জমিজমা সবকিছু  নিয়ে গেছে।  একই গ্রামের জামেলা খাতুন জানান, শীতের কথা কি বলবো , মাথা গুজানোর মত একটি ঘরও নেই আমার, একটি মেয়ে নিয়ে, খরকুটা ত্রিফল, কাগজ দিয়ে, কোনরকমে নদীর পাড়ে বসবাস করি। আল্লাহ ছাড়া আমাকে দেখার কেউ নেই।

ভোলা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মো. মনিরুজ্জামান জানান, শুক্রবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


মোঃ ইয়ামিন