অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৪ | ৯ই বৈশাখ ১৪৩১


ঈদের ছুটি একদিন বাড়ানোর সুপারিশ


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১শে মার্চ ২০২৪ বিকাল ০৪:৫৩

remove_red_eye

৩২

নির্বিঘ্নে বাড়ি যেতে আগামী ঈদুল ফিতরের ছুটি একদিন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

রোববার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি আগামী ৯ এপ্রিল ছুটি রাখার সুপারিশ করেছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন কমিটির সভাপতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

কমিটির সুপারিশ আগামীকাল মন্ত্রিসভা বৈঠকেও উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন মোজাম্মেল হক।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১০ বা ১১ এপ্রিল দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। তবে সরকার রমজান ৩০ দিন ও ঈদুল ফিতর হচ্ছে ১১ এপ্রিল ধরে আগামী ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিল ঈদের ছুটি নির্ধারণ করেছে। এর আগে ৭ এপ্রিল শবে কদরের ছুটি রয়েছে। শবে কদরের ছুটির পর ৮ ও ৯ এপ্রিল অফিস খোলা।

ঈদের ছুটি একদিন বাড়ানোর সুপারিশ

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘শ্রমিকদের বেতন যাতে সময়মতো পরিশোধ করা হয় সে জন্য প্রয়োজনে ব্যাংক বেশিক্ষণ খোলা রেখে, বন্ধের দিনও খোলা রাখার সুবিধা দিতে পারে, যাতে শ্রমিকদের মধ্যে কোনো অসন্তোষ না হয়। শ্রমিকদের যে প্রাপ্য সেগুলো যাতে সময়মতো পরিশোধ হয় সেজন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামীকাল মালিকদের সঙ্গে মিটিং করে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন।’

মোজাম্মেল হক বলেন, ‘ছুটির ব্যাপারে কাল একটা সুপারিশ যাবে সরকারের কাছে, একদিন বাড়ানো যায় কি না! যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে। ৯ এপ্রিল ছুটির আওতায় আনা যায় কি না, সেটার একটা সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদে যাবে। আগামীকাল মন্ত্রিসভার মিটিং আছে সেই মিটিংয়ে এই কমিটির একটা সুপারিশ যাচ্ছে।’

‘ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৯ তারিখ খোলা। এজন্য আমরা (৯ এপ্রিল বন্ধ রেখে) আগের শনিবার অফিস করতে পারি কি না সেই বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সুপারিশ করেছি, যদি ১১ এপ্রিল ঈদ হয়, যাওয়ার জন্য একদিন মাত্র সময় পাবে। সেজন্য যানজট বাড়তে পারে, এতে মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। সেজন্য ৯ এপ্রিল ছুটি বিবেচনা করা যায় কি না এ সুপারিশ আমরা দেবো।’

মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে ফিটনেস নেই এমন গাড়ি ঈদের সময় চলাচল করে। এসব গাড়ি রাস্তায় গিয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে চলাচল ব্যাহত হয়। যাত্রীদের অনেক ভোগান্তি হয়। সেজন্য ফিটনেসবিহীন এসব গাড়ি যাতে চলাচল করতে না পারে সেজন্য আগে থেকেই সতর্ক করা হবে।’

মিল-কলকারখানার শ্রমিকদের ছুটির পর একযোগে এসব গাড়ি ভাড়া করার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন মোজাম্মেল হক।

 

সুত্র জাগো