অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৪ | ৯ই বৈশাখ ১৪৩১


৬৮০ কোটি টাকায় তিন ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭শে মার্চ ২০২৪ বিকাল ০৪:৩৭

remove_red_eye

১৭

তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ বাড়ানোসহ তিন ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে মোট ব্যয় হবে ৬৭৯ কোটি ৮৭ লাখ ৬৭ হাজার ১৫১ টাকা।

বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, আশুলিয়া, মাধবদী ও চান্দিনায় ১০ (+১০%) মেগাওয়াট গ্যাসভিত্তিক তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং ট্যারিফ প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্পন্সর কোম্পানি সামিট পাওয়ার লিমিডেটের সঙ্গে সরকারের ১৫ বছর চুক্তির মেয়াদ ২০১৮ সালের ৩১ আগস্ট শেষ হয়।

তিনি বলেন, পরবর্তীকলে আরও পাঁচ বছর মেয়াদ বাড়ানো হয়, যা শেষ হয় ২০২৩ সালের ৩১ আগস্ট। নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে দ্বিতীয়বার আরও পাঁচ বছর মেয়াদ বাড়াতে বাপবিবো (বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড) সুপারিশ করে।

তিনি জানান, বাপবিবো এবং নেগোসিয়েশন কমিটি কর্তৃক স্পন্সর কোম্পানির সঙ্গে নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে সুপারিশকৃত চুক্তির শর্ত চূড়ান্ত করে তিনটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ ২০২৩ সালের ২২ নভেম্বর থেকে ৫ বছর বৃদ্ধির জন্য সামিট পাওয়ার লিমিডেটের সঙ্গে ট্যারিফ কিলোওয়াট ঘণ্টা ৫ দশমিক ৮২ টাকা হিসেবে নো ইলেক্ট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে সংশোধিত চুক্তি সম্পাদনের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, বর্ধিত মেয়াদে (৫ বছরে) স্পন্সর কোম্পানিকে ৫৪৬ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। বর্ণিত প্রস্তাবে ট্যারিফ আগের তুলনায় হ্রাস পাওয়ায় বর্ধিত মেয়াদে প্রায় ৬ দশমিক ৮১ কোটি টাকা ব্যয় সাশ্রয় হবে।

বৈঠকে অনুমোদিত অন্য প্রস্তাবগুলো হলো- ‘ইন্সটলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উইথ ডাবল পাইপলাইন’ প্রকল্পের আওতায় সিপিসি ঠিকাদারের সঙ্গে পঞ্চম সাপ্লিমেন্ট চুক্তি সম্পাদনের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের আওতায় মহেশখালীতে একটি ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ ট্যাংক ফার্ম’ ও গভীর সমুদ্রে একটি ‘সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং’ এবং ১১০ কিলোমিটার দুটি ডাবল পাইপলাইন স্থাপনের জন্য চায়না পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন ব্যুরো (সিপিপিবি)-এর সঙ্গে ৪টি সাপ্লিমেন্ট চুক্তি সই হয়।

পরে সিপিপিবি কর্তৃক দাখিলকৃত প্রতিবেদন ও পিপিসির সুপারিশ মোতাবেক টেস্টিং ও কমিশনিং কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে যথাযথ শক্তির টাগবোট সংগ্রহ, পাইলটেজ এবং আনুষঙ্গিক সার্ভিস অন্তর্ভুক্তির জন্য চায়না পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে পঞ্চম সাপ্লিমেন্টারি অ্যাগ্রিমেন্ট বাবদ ৫ দশমিক ৭০ মিলিয়ন ইউএস ডলার সমপরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬২ কোটি ৮৪ লাখ ২৫ হাজার টাকায় চুক্তির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে কমিটি তাতে অনুমোদন দিয়েছে।

এছাড়া ‘খুলনা থেকে মোংলা পোর্ট পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ (৩য় সংশোধিত)’ প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর-ডব্লিউডি-১ এর পূর্ত কাজের তৃতীয় ভেরিয়েশন প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে ক্রয় কমিটি। প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর-ডব্লিউডি-১১ এর নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ভারতের মেসার্স ইরকন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ২৭৮ কোটি ৬৫ লাখ ৫২ হাজার ৯০৭ টাকা। চুক্তি অনুসারে কাজ চলমান অবস্থায় কিছু আইটেম হ্রাস/বৃদ্ধি হওয়ায় তৃতীয় ভেরিয়েশন বাবদ অতিরিক্ত ৭০ কোটি ২৩ লাখ ৯২ হাজার ১৫১ টাকা ব্যয় বাড়ানো হয়েছে।

 

সুত্র জাগো