অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ২৬শে জানুয়ারী ২০২৬ | ১৩ই মাঘ ১৪৩২


ইসির ওপর কোনো চাপ নেই, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা হচ্ছে : রহমানেল মাছউদ


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬শে জানুয়ারী ২০২৬ বিকাল ০৫:৫০

remove_red_eye

১২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসির ওপর এর অন্যথা কোনো ধরনের চাপ নেই উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করছে এবং একটি ভালো নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

সরকার বা রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে কোনো চাপ বা অসহযোগিতা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আমরা কোনো চাপ পাইনি। কোনো পক্ষ থেকেই চাপ নেই। আমরা স্বাধীনভাবে আমাদের ওপর অর্পিত সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সব দলকেই সাধুবাদ জানানো হয়েছে এবং সব রাজনৈতিক দল পূর্ণ সহযোগিতা করছে বলে ইসি মনে করে। এই সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি ভালো নির্বাচন করা সম্ভব হবে বলে কমিশন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নির্বিঘ্নে আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে ভোটকেন্দ্রে আসুন। ভোট দেওয়া আপনার নাগরিক দায়িত্ব। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ভালো রয়েছে।’

নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, প্রায় দেড় মাস আগে নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময়ে বড় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা কমিশনের নজরে আসেনি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরিবর্তিত পরিবেশে ভোটাররা কেন্দ্রে এসে ভোট দেবেন।

ভোটে আগ্রহ কমে যাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে ভোটের প্রতি অনীহা দূর করতে সময় লাগবে। তবে সবার সহযোগিতায় জনগণের মধ্যে এই আস্থা সৃষ্টি করা সম্ভব যে তারা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন।

ঋণ খেলাপিদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরাসরি ঋণ খেলাপিদের প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে গ্যারান্টারদের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী বৈধতা দেওয়া হয়েছে। আদালত যাদের বৈধ ঘোষণা করেছে, নির্বাচন কমিশন আপাতত তাদের বৈধ হিসেবেই গ্রহণ করছে। তবে নির্বাচনের পর কারও অযোগ্যতা প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশন স্বপ্রণোদিতভাবে বা অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

তিনি জানান, ৩০০ সংসদীয় আসনে ৩০০ জন বিচারকের সমন্বয়ে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি কাজ করছে। কোথাও আচরণবিধি লঙ্ঘন বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট ইনকোয়ারি কমিটির কাছে অভিযোগ জানাতে তিনি সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে।