অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৪ | ৯ই বৈশাখ ১৪৩১


সপ্তাহ ব্যবধানে সবজি ও পেঁয়াজের দাম কমেছে, মুরগির বাজার অপরিবর্তিত


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২শে মার্চ ২০২৪ বিকাল ০৪:০৭

remove_red_eye

২৬

সপ্তাহ ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে সব ধরনের সবজি ও পেঁয়াজের দাম কমেছে। পবিত্র রমজান মাসে চাহিদা কম থাকায় প্রতিটি সবজি কেজি প্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

তবে ব্রয়লারসহ সব ধরনের মুরগির বাজার অপরিবর্তিত রয়েছে।  

 

শুক্রবার (২২ মার্চ) রাজধানীর তালতলা ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এতথ্য জানা গেছে।

চলতি সপ্তাহে এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানির কারণে সপ্তাহ ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহেও দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তবে ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।  

এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজির দামও কিছুটা কমেছে। গ্রীষ্মকালীন সবজি কচুরমুখী ৮০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকায়,  শসা ৮০ টাকা, খিরাই ৬০ টাকা, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০  থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ধুন্দুল ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, পটল ৮০ টাকা এবং সজনে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।  

 বাজারগুলোতে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, শিম ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস, বাঁধা কপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস, ব্রকলি ৩০ টাকা পিস, পাকা টমেটো প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা এবং আলু ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।  

এসব বাজারে লেবুর হালি ৩০ থেকে ৭০ টাকা, ধনে পাতা কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা ও কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া বাজারগুলোতে লাল শাক ১৫ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৩০ টাকা, মূলা শাক ১৫ টাকা, পালং শাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, কলমি  শাক ১০টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

চলতি সপ্তাহে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লারসহ সব ধরনের মুরগি। বাজারগুলোতে ২০৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। সোনালি ৩২০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ৩০০ টাকা, দেশি মুরগি ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি, লেয়ার মুরগি ২৯৫ টাকা এবং সাদা লেয়ার ২৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া গরুর মাংস কেজি প্রতি ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর কলিজা ৭৫০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১০৫০-১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২২০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৮৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়।  

শুক্রবার বাজারগুলোতে ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকা, এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকায়, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, মাগুর মাছ ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৯০০ টাকায়, কাতল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়, পোয়া মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়,  তেলাপিয়া ২২০ টাকায়,  কৈ মাছ ২২০ থেকে ২৪০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৬০০  টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৬০০ টাকায়, পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকায়, রুপচাঁদা ১২০০ টাকা, বাইম মাছ ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা, দেশি কই ১০০০ টাকা, মেনি মাছ ৭০০ টাকা, সোল মাছ ৬০০ থেকে ১০০০টাকা, বেলে মাছ ৭০০ টাকা এবং কাইকলা মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

সুত্র বাংলা নিউজ