অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ৪ঠা মে ২০২৬ | ২১শে বৈশাখ ১৪৩৩


১১ দিনে গ্রেফতার ২১৫, দুই মাসে অস্ত্র উদ্ধার ২২১


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৩ বিকাল ০৪:৩৩

remove_red_eye

২১০

সংসদ নির্বাচন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে গত ১১ দিনে সারাদেশে ২১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর গত দুই মাসে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে ২২১টি। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ১১ দিনে সারাদেশে ২১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময়ে মামলা হয়েছে ১৮৪টি।

এছাড়া গত নভেম্বর ও ডিসেম্বর দুই মাসে ২২১টি আগ্নেয়াস্ত্রের উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়েছে ৪৩৮ জনকে।

এদিকে শনিবার পুলিশ সদরদপ্তরে প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-অপারেশন) আনোয়ার হোসেন জানান, নির্বাচনী এলাকা থেকে পুলিশ যে কোনো অভিযোগ পেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করছে। পুলিশের কাছে সব প্রার্থী সমান। প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে সব প্রার্থী যেন সমান সুযোগ পান, এর নির্দেশনা দেওয়া আছে। জামিন পাওয়া আসামিরাও পুলিশের বিশেষ নজরদারিতে আছেন।

ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনী এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা কোনো অভিযোগ পেলে তার প্রতিকারের ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আর তাদের সহযোগিতা করছে পুলিশ। কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসাররা যেভাবে নিরাপত্তার নির্দেশনা দেবেন পুলিশ সেভাবে কাজ করবে।

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের বিষয়ে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি ফোর্স মোতায়েন রয়েছে। কোনো কোনো দুর্গম এলাকার কেন্দ্রও ঝুঁকিপূর্ণ। সেগুলোর বিষয়েও বাড়তি ফোর্স দিয়ে কাজ করছে পুলিশ। পুলিশ অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সর্বাত্মক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

নির্বাচনকেন্দ্রীক মারামারি ও দাঙ্গা হাঙ্গামার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেকোনো ঘটনার পরই মামলা হচ্ছে। পুলিশ ওইসব ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দিচ্ছে না পুলিশ। পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে। পুলিশের কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতা হারানোর অভিযোগ এলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বদলি বা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এরপরও তদন্ত হচ্ছে ওই কর্মকর্তার বিষয়ে। তদন্তে তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতা হারানোর প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুত্র জাগো