হাসনাইন আহমেদ মুন্না
প্রকাশিত: ২৪শে মে ২০২৩ রাত ০৮:১৯
৬৪৯
হাসনাইন আহমেদ মুন্না: ভোলা জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর ২১৮ হেক্টর জমিতে প্রায় পৌনে ২ লাখ গাছে ব্যাপক আমের ফলন হয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেকই রয়েছে আম রুপালী। ২০ ভাগ দেশি ও বাকি ৩০ ভাগ হীম সাগর, ল্যাংরা, হাড়ি-ভাঙ্গা, পালমাল, বারি-৪, বারি-১১সহ বিভিন্ন জাত রয়েছে। এছাড়া কৃষি বিভাগের উদ্যেগে বিভিন্ন প্রকল্পের অধিনে ৫০ শতাংশ জমির প্রায় ৩’শ আম বাগানে প্রায় ৩০ হাজার আম গাছ রয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় ৮ হাজার ২৮৪ মেট্রিকটন আম উৎপাদন হবে বলে কৃষি বিভাগ প্রত্যাশা করছে।
কৃষি অফিস জানায়, জেলায় মূলত ২০১৫ সালের পর থেকেই ক্ষুদ্র পরিষরে বাণিজ্যিকভাবে আম বাগান গড়ে উঠা শুরু করে। কৃষি বিভাগের বিভিন্ন উদ্যেগ ও চাষিদের প্রেচেষ্টায় সম্প্রসারণ হচ্ছে এই লাভজনক ফল চাষ। ২০১৫ সালে জেলায় আমের চাষ হতো ১৩৫ হেক্টর জমিতে। পরের বছর হয় ১৪৫ হেক্টর। পর্যায়ক্রমে বাণিজ্যিক চাষ বাড়তে থাকে দক্ষিণের এই জেলায়। ফলে সাম্প্রতিক কালে অনেকেই আম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে।
কৃষি কর্মকর্তারা জানান, সাধারণত কলম পদ্ধতিতে আম চারা রোপণ করা হয়। রোপণের পরের বছর থেকেই ফলন আসতে শুরু করে। পূর্ণ ফলন পেতে দুবছর অপেক্ষা করতে হয়। একবার চারা রোপনের পর গাছ বেড়ে উঠলে আর কোন পরিশ্রম নেই বল্লেই চলে। ইানিংকালে একানকার উৎপাদিত আম বলে দিচ্ছে এখানকার আবহাওয়া আম চাষে কতটা অনুক’লে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো: হাসান ওয়ারীসুল কবীর বাসস’কে জানান, একটা সময় ধারনা করা হতো শুধু রাজশাহী অঞ্চলেই ভালো আম হয়। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে আমের কিছু কিছু জাত সারা দেশেই ভালো হয়। বিশেষ করে ভোলায় আম রুপালী, বারি আম-৩, বারি আম-৪, বারি আম-১১সহ বিভিন্ন জাত হচ্ছে। গত কয়েক বছর যাবত বাণিজ্যিকভাবে আম উৎপাদন বাড়ছে। কৃষি বিভাগ থেকে সব রণের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে আম চাষে।
সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের আম চাষি মো: ইয়ানুর রহমান বলেন, গত তিন বছর যাবত তিনি ৫ একর জমিতে আম চাষ করছেন। দ্বিতীয় বছর থেকেই তার আমের ফলন আসতে শুরু করে। বর্তমানে তার এখানে উচ্চফলনশীল আড়াই হাজার আম গাছ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এসব আমের। অধিকাংশ আমই অনলাইনে বিক্রি হয়ে যায়। এই মৌসুমে ২০ টনের অধিক আম উৎপাদন হবে বলে আশা তার।
অপর কৃষক ইলিশা ইউনিয়নের আকতার হোসেন বলেন, তার বাগানে ৬ প্রজাতীর ২ হাজার আমের গাছ রেয়েছে। ইতোমধ্যে প্রত্যেক গাছেই ব্যাপক ফলন এসেছে। আমের মানও অনেক ভালো রয়েছে। সরাসরি তার বাগান থেকেই পইকাররা আম কিনে নিয়ে যায়। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তিনি প্রথম ধাপের আম বিক্রি করবেন। চারা রোপনের প্রথম বছর একটু পরিচর্যা ছাড়া তেমন কোন পরিশ্রম নেই বলে জানান এই আম চাষি।
হাসান ওয়ারীসুল কবীর আরো জানান, আগামীতে এই জেলায় ব্যাপক সম্ভাবনময় একটি ফল আম। পানি জমেনা এমন উচু জমি হলেই আমের চাষ করা যায়। তুলনামুলক শ্রমও তেমন দিতে হয়না। তবে ভোলায় লাভজনক হলো বারি আম-৪। এটি সিজনের শেষ সময় আসে, তখন অন্য কোন আম না থাকায় ভালো দাম পাওয়া যায়। সবকিছু মিলিয়ে কৃষি বিভাগের প্রচার প্রচারণা ও ভালো চরার সহজলভ্যতায় ফলে আম চাষ একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণ্যিজ্যিক খাতে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ভোলায়।
বরিশালে তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষানবিশ নির্বাচনে কমিউনিটি আউটরিচ সভা
ভোলায় দুশ্চিন্তায় ২ লক্ষাধিক জেলে
ভোলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতের বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র্যালী
ভোলায় মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের দাবীতে ঐক্যের ডাক
মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চরফ্যাশনে সংকটে হাজারো জেলে
চরফ্যাশনে নবনিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের সংবর্ধনা
ভোলায় ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক
ভোলায় জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ শুরু
লালমোহনে কাভার্ড ভ্যানসহ ৯ হাজার লিটার অপরিশোধিত সয়াবিন তেল জব্দ
লালমোহনে সীরাত পাঠ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত