অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর ২০২৬ | ২২শে আশ্বিন ১৪৩৩


ভোলায় হত্যাকান্ডের আসামি কক্সবাজারে গ্রেফতার


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬ই মে ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:০৫

remove_red_eye

২১৯

বাংলার কন্ঠ ডেস্ক: ভোলা জেলার শশীভূষণ থানার আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর ‘আব্দুর রহিম’ হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি মো. জাকির হোসেন বাঘাকে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫। দীর্ঘদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকার পর র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারিতে অবশেষে সে ধরা পড়ে।
র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক জানিয়েছেন, ১০ ফেব্রুয়ারি  টাকা ধার দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়। ভুক্তভোগী আমির হোসেনের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিবাদীরা তার ওপর প্রথম দফায় হামলা চালায় এবং তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। 
এই ঘটনার রেশ ধরে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে শশীভূষণ থানার রসুলপুর ৫নং ওয়ার্ডের মহাসড়কে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওত পেতে থাকে ঘাতক জাকির হোসেন বাঘা ও তার সহযোগীরা। ভুক্তভোগী আমির হোসেনের বাবা আঃ রহিম ও তার সাথে থাকা ভুট্টো রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আসামিরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও চাপাতি নিয়ে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা আঃ রহিমের মাথা, ঘাড় ও গলায় নৃশংসভাবে কুপিয়ে হাড় ও রগ কেটে ফেলে এবং মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামি জাকির হোসেন বাঘা ভোলা ছেড়ে পালিয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় পরিচয় গোপন করে অবস্থান করছিল।
র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫, ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশালাইজড কোম্পানির একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় ঘাতকের অবস্থান শনাক্ত করে। ৪ মে  সন্ধ্যায় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫ এর একটি আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন ২নং বরইতলী ইউনিয়নস্থ মুরাপাড়া পহরচান্দা এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে লাল মিয়ার দোকানের পাশের একটি বাড়ি হতে জাকির হোসেন বাঘাকে গ্রেফতার করা হয়।