অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ৫ই মে ২০২৬ | ২২শে বৈশাখ ১৪৩৩


বোরহানউদ্দিনে দ্বিতীয় দিনে স্কয়ারের ফ্রি হেলথ ক্যাম্পে চিকিৎসাসহ ঔষধ পেলো কয়েক হাজার মানুষ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৫ই মে ২০২৬ সকাল ০৮:১১

remove_red_eye

বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক : ৫৬ হাজার স্কয়ার মাইল জুড়ে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভোলায় শুরু হওয়া   চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমের দ্বিতীয় দিনেও ছিল হতদরিদ্র মানুষের উপচে পড়া ভীড়। সোমবার ভোর থেকে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাফিজ ইব্রাহিম কলেজ ক্যাম্পাসে দূর দূরান্ত থেকে বিভিন্ন বয়সী মানুষ ফ্রি হেলথ ক্যাম্পে ছুটে আসেন। ভোলায় ফ্রি হেলথ ক্যাম্পে মিলছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা ও ওষুধ।
সরেজমিনে দেখা যায়,ভোলার বোরহানউদ্দিনের হাফিজ ইব্রাহিম কলেজ ক্যাম্পাসে স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্যামসন এইচ. চৌধুরীর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি হেলথ ক্যাম্পে সকাল থেকেই জড়ো হন বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ। কেউ এসেছেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞের কাছে, কেউ শিশু, গাইনী কিংবা ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল রোগের চিকিৎসা নিতে। অর্থাভাবে এতদিন যারা উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত ছিলেন, তাদের জন্যই এই আয়োজন যেন আশার আলো হয়ে এসেছে।
ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের একটি টিম ফ্রি হেলথ ক্যাম্পে দিনব্যাপী চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। একইসাথে বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় ওষুধ, ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ পরীক্ষা।
এদিকে ভোলা -২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম দুপুরে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের উদ্যোগে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি স্কয়ার গ্ৰুপের প্রতি ধন্যবাদ প্রকাশ করেন এবং প্রতি বছর একটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প করার জন্য অনুরোধ জানান।
 
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের হেড অব সেলস মোঃ মজিবুর রহমান জানান, প্রথম দিন আমরা আড়াই হাজার মানুষ কে চিকিৎসা সেবা দিয়েছি। এমনকি সন্ধ্যায় জেলে পাড়ায় কয়েক শত মানুষ কে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ দেয়া হয়। বোরহানউদ্দিনে আশা করা হচ্ছে আড়াই হাজার মানুষ কে চিকিৎসা দেয়া হবে। আমাদের উদ্দেশ্য অবহেলিত মানুষ কে চিকিৎসা দেয়া।
 
চার দিনব্যাপী এই কর্মসূচির তৃতীয় দিন মঙ্গলবার  দৌলতখান উপজেলার বাংলাবাজারের হালিমা খাতুন মহিলা ডিগ্রি কলেজ এবং শেষ দিন ভোলার বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ক্যাম্পিংয়ের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। 
উল্লেখ্য,দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ। ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কুড়িগ্রাম ও নরসিংদীসহ ১৮ জেলায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এই সেবা পেয়েছেন।