অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২৬শে এপ্রিল ২০২৬ | ১২ই বৈশাখ ১৪৩৩


সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২রা মার্চ ২০২৩ সন্ধ্যা ০৬:২৮

remove_red_eye

৩৭০

বিভিন্ন রকমের পদক্ষেপ, আন্দোলন, সভা-সেমিনারের পরও দেশে সড়ক দুর্ঘটনা কমছে না। প্রতিদিন একাধিক দুর্ঘটনা ঘটছে, হতাহত হচ্ছে মানুষ। দুর্ঘটনায় একদিনে অনেক মৃত্যুর ঘটনাই বলে দেয় আমাদের সড়ক কতটা নিরাপত্তাহীন। বস্তুত রাজধানীসহ সারা দেশের বিশৃঙ্খল সড়কে প্রতিদিনই মানুষ বেঘোরে প্রাণ হারাচ্ছে। প্রশ্ন হলো, প্রতিদিন যদি আমাদের এমন বেদনাদায়ক মৃত্যু সংবাদের মুখোমুখি হতে হয়, তাহলে নিরাপদ সড়কের দাবিতে এত আন্দোলন, এত সুপারিশ-পরামর্শ এবং নতুন প্রবর্তিত আইন কী কাজে লাগছে? বস্তুত জনবহুল এ দেশে সড়ক ও পরিবহন ব্যবস্থা যথেষ্ট উপযুক্ত না থাকার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। অদক্ষ চালক, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সাধারণ মানুষের অসচেতনতা, অনিয়ন্ত্রিত গতি, রাস্তা নির্মাণে ত্রুটি, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব এবং আইন প্রয়োগের দুর্বলতা সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সারা দেশে ৮৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ চালকের বেপরোয়া গতি। এ ছাড়া ভুল ওভারটেকিংয়ের কারণে ঘটে ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ দুর্ঘটনা। সব মিলে সড়ক দুর্ঘটনার ৯০ দশমিক ৬৯ শতাংশের জন্যই দায়ী চালক। সড়কে দুর্ঘটনা হ্রাসে ইতঃপূর্বে পেশাদার চালকদের লাইসেন্স পেতে ও নবায়নের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা ছাড়াও পর্যাপ্ত বিশ্রামের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন। দুঃখজনক হলো, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কমপক্ষে ১১১টি সুপারিশ করা হলেও আজ পর্যন্ত এর অধিকাংশই বাস্তবায়িত হয়নি। আমরা মনে করি, যেভাবেই হোক সড়ক-মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। সচেতন হতে হবে পথচারীদেরও। একইসঙ্গে আইনের যথাযথ প্রয়োগ, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ চালক এবং সড়কে চলাচল উপযোগী ভালো মানের যানবাহন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এসবের পাশাপাশি স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পুলিশ কর্তৃক চার্জশিট দাখিল এবং দ্রুত ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথ সুগম করা হলে তা সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের বিশ্বাস। দেশে সড়ক ব্যবস্থাপনায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পাশাপাশি কোনো কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যুক্ত থাকলেও দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। অথচ কাজটি অসম্ভব নয়। থাইল্যান্ড ২০১১ সালে ঘোষণা করেছিল, ২০২০ সালের মধ্যে তারা সড়ক দুর্ঘটনার হার অর্ধেকে নামিয়ে আনবে এবং ইতোমধ্যে এ কাজে তারা সফল হয়েছে। সড়কে মৃত্যু ও নৈরাজ্যকর অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে সমস্যাটিকে সবার আগে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকারের পাশাপাশি পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিত কর্মসূচি নিয়ে অগ্রসর হতে হবে।

 





দৌলতখানে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দৌলতখানে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ভোলায় বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ও তেল জব্দ

ভোলায় বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ও তেল জব্দ

ভোলায় ১৩ হাজার জেলের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ভোলায় ১৩ হাজার জেলের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও সাংবাদিক সুমনের পিতার ইন্তেকাল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শোক প্রকাশ

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও সাংবাদিক সুমনের পিতার ইন্তেকাল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শোক প্রকাশ

ভোলায় সাংবাদিক সুমনের পিতা জাহাঙ্গীর আলমের ইন্তেকাল দৈনিক বাংলার কণ্ঠ পরিবারের শোক

ভোলায় সাংবাদিক সুমনের পিতা জাহাঙ্গীর আলমের ইন্তেকাল দৈনিক বাংলার কণ্ঠ পরিবারের শোক

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার পিতার ইন্তেকাল, কেন্দ্রীয় কমিটির শোক

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার পিতার ইন্তেকাল, কেন্দ্রীয় কমিটির শোক

ভোলার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও সাংবাদিক সুমনের পিতা জাহাঙ্গীর আলম মিয়ার ইন্তেকাল ।। দাফন সম্পন্ন, সর্বস্তরের শোক

ভোলার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও সাংবাদিক সুমনের পিতা জাহাঙ্গীর আলম মিয়ার ইন্তেকাল ।। দাফন সম্পন্ন, সর্বস্তরের শোক

ভোলায় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন

ভোলায় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন

ভোলায় যৌথ অভিযানে শুল্ক-কর ফাঁকি দেয়া অবৈধ ৪ লাখ ৩৫ হাজার শলাকা নকল বিড়ি জব্দ

ভোলায় যৌথ অভিযানে শুল্ক-কর ফাঁকি দেয়া অবৈধ ৪ লাখ ৩৫ হাজার শলাকা নকল বিড়ি জব্দ

মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচালকারী যাত্রীসহ পণ্য বোঝাই ট্রলার ডুবি

মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচালকারী যাত্রীসহ পণ্য বোঝাই ট্রলার ডুবি

আরও...