অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১লা মে ২০২৬ | ১৮ই বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় আমনের বাম্পার ফলন : চলছে ধান কাটার উৎসব


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০শে ডিসেম্বর ২০২২ রাত ১০:৩০

remove_red_eye

৩৪১


কৃষকের মুখে  হাসির ঝলক




বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক :  কয়েক দফা প্রাকৃতিক দুর্যোগ কাটিয়ে ভোলায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে করে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। রোগ বালাই ও পোকার মাকরের তেমন আক্রমণ না থাকায় ভালো ফলন পেয়ে লাভের আশা করছে। এরই মধ্যে ধান কেটে তা ঘরে তোলা শুরু করে দিয়েছেন কৃষকরা।

উপক‚লীয় দ্বীপ জেলা ভোলায় কৃষকের বিস্তীর্ন ফসলের ক্ষেতে পাকা সোনালী ধানের সমারোহ। কিছু কিছু মাঠে ধান আধাপাকা থাকলেও অনেক মাঠেই এখন ধান পেকে সোনালি রূপ ধারণ করেছে।  গ্রামে গ্রামে চলছে ধান কাটার উৎসব।  ছড়িয়ে পড়েছে পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধ।  মাঠে মাঠে কৃষকরা ধান কাটা এবং মাড়াই নিয়ে ব্যস্থ সময় পার করছেন। আমানের বীজ রোপণের পর পর কয়েক দফায় নিন্মচাপে জোয়ার ও ঘূর্নিঝড় সিত্রাং এর আঘাতে ফসল কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পরবর্তীতে আবহাওয়া অনুক‚লে থাকায় সব সংকট কাটিয়ে আমনে ভালো ফলন হয়েছে বলে জানান ভোলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের কৃষকরা। তারা বলেন,  প্রকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি সার-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারনে তারা কিছুটা বিপাকে পরে কিন্তু  ভালো ফলন পেয়ে কৃষকরা খুশি। এ বছর বাজার দর ভালো হওয়ায় ও মেশিনের মাধ্যমে কম খরছে ধান কাটতে পারায় তারা লাভের আশা করছে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এ বছর ১ লক্ষ ৭৫ হাজার ৫৬৮ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষমাত্রা ছিলো । আর আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫০০  হেক্টার  জমিতে। আমন ধানের ফলন উৎপাদনের লক্ষমাত্র ছিলো ৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন । এপর্যন্ত যে পরিমান ধান কর্তন করা হয়েছে তাতে কৃষি বিভাগের মতে উৎপাদন লক্ষমাত্র ছাড়িয়ে গেছে।

ভোলা জেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ হাসান ওয়ারিসুল কবির জানান,
চলতি মৌসুমে ভোলায় আমন চাষিরা কয়েকদফা প্রকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতির সন্মুখিন হয়। সে ক্ষতি পুশিয়ে নিতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, প্রণদনা, পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেয়া হয়েছে। এতে করে তারা ক্ষতি পুশিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে । এবছর ভালো ফলন হয়েছে।  ভোলা জেলা চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত ধান অন্য জেলায় সরবরাহ করা হবে ।