লালমোহন প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৬শে নভেম্বর ২০২২ রাত ১০:১৩
৩৯০
ক্ষতিপূরণের দাবি
লালমোহন প্রতিনিধি : ২৭ নভেম্বর। ভোলার ইতিহাসে এক ভয়াবহ শোকাহত দিন। ২০০৯ সালের এই দিনে লালমোহনের তেঁতুলিয়া নদীর তীরে এসে ডুবে যায় এমভি কোকো-৪ লঞ্চ। দুর্ঘটনার পর থেকে এক এক করে পেরিয়ে গেছে ১৩ টি বছর। এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৮১ জন যাত্রী। এর মধ্যে ৪৫ জনই লালমোহনের। মর্মান্তিক সেই দুর্ঘটনার কথা মনে পড়লে এখনো কাঁদেন স্বজনহারা মানুষ। দুর্ঘটনার ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার পাননি কেউ। সরকারের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে সহায়তা দেয়া হলেও লঞ্চ কর্তৃপক্ষ খোঁজ নেয়নি কারও।
সেই দুর্ঘটনায় মেয়ে ও নাতনিকে হারিয়েছেন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইসমাইল ব্যাপারী বাড়ির মনোয়ার বেগম। ১৩ বছরেও মেয়ে আর নাতনির কথা ভুলতে পারেননি তিনি। তাদের স্মৃতি মনে করে এখনো কান্নায় ভেঙে পড়েন মনোয়ারা বেগম।
তিনি বলেন, ঈদ করতে ঢাকা থেকে লালমোহনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে লঞ্চ ডুবিতে মারা যায় তার মেয়ে ও ২ বছর বয়সি নাতিন। সেই দুর্বিষহ স্মৃতি আজও তাড়া করে তাকে।
ওই দুর্ঘটনার দিন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাকলাই বাড়ির শামছুন নাহার স্বামী, সন্তান, দেবরসহ একই বাড়ির ১৮ জন নিয়ে কোকো-৪ লঞ্চে রওনা হয়েছিল বাড়িতে। কিন্তু ঘাটে ভেড়ার আগেই ডুবে যায় লঞ্চটি। এতে মারা যায় তার মেয়ে সুরাইয়া, দেবরের মেয়ে কবিতা ও দেবর সোহাগ। সেই থেকে এখনো শোকে কাঁতর শামসুন নাহার।
২০০৯ সালের সেই ভয়াবহ কোকো-৪ লঞ্চ দুর্ঘটনায় কেউ হারিয়েছেন পিতা-মাতা, কেউ হারিয়েছেন সন্তান, কেউ ভাই-বোন। সেদিনের সেই মর্মান্তিক ট্রাজেডির কথা মনে করে শোক সাগরে ভাসছে পুরো দ্বীপজেলা, বিশেষ করে লালমোহন উপজেলা।
তবে এখনো লালমোহন-ঢাকা নৌরুটে যাতায়াত করা যাত্রীরা বলেন, ঈদ বা অন্য কোনো উৎসবে এখনো এ রুটে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করেই চলছে লঞ্চগুলো। যাত্রীদের জীবনের কথা বিবেচনা করে লালমোহন-ঢাকা নৌ-রুটে চলাচল করা লঞ্চ মালিকদের সর্তক হওয়ার দাবী।
লালমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ওই লঞ্চ দুর্ঘটনার ঘটনায় ২০০৯ সালের ৩০ নভেম্বর লালমোহন থানায় কোকো লঞ্চের চালক ও মাষ্টারসহ ৮ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ২০১১ সালে পুলিশ মামলাটির চার্জসীট দিয়েছে। মামলাটি এখন বিচারাধীন রয়েছে।
এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ জানান, ওই সময় লঞ্চ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে এতো মানুষের প্রাণ গেছে। কিন্তু মালিক পক্ষ থেকে কারো খোঁজ-খবর নেয়নি। এখনো তাদের কোনো ক্ষতিপূরণও দেয়নি লঞ্চকর্তৃপক্ষ। আমরা এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই। এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দ্রæত ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবী জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৬ নভেম্বর ঢাকা থেকে ঈদে ঘরমুখো যাত্রী নিয়ে ভোলার লালমোহনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে কোকো-৪ লঞ্চটি। এরপর ঘড়ির কাটায় তারিখ পরিবর্তন হয়ে হয় ২৭ নভেম্বর। ভোর রাতের দিকে লালমোহনের নাজিরপুর ঘাটের কাছে এসে যাত্রীর চাপে ডুবে যায় লঞ্চটি। কোকো ট্রাজেডিতে লালমোহনে ৪৫ জন, চরফ্যাশনের ৩১ জন, তজুমদ্দিনের ২ ও দৌলতখানের ৩ জনের প্রাণহানি ঘটে।
ভোলায় পরিবারের কাছে ফিরে পেলেন নিখোঁজ বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশু
ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র্যালী
চরফ্যাসনে মোবাইল কোর্টে অভিযান দুই ফার্মেসির জরিমানা
তজুমদ্দিনে মহিষের বাছুরের ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি
কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল
একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন
ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, আগামীকাল ভোটগ্রহণ : সিইসি
গণমাধ্যম বাংলাদেশে এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে বৈঠকে বসেছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যগণ
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের ৫ জন বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত