অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২১শে জুন ২০২৬ | ৭ই আষাঢ় ১৪৩৩


স্বাভাবিক রুটিনে পাঠদান, চেনা রূপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ই মার্চ ২০২২ দুপুর ০১:২২

remove_red_eye

৫৩০

দুই বছর পর আবার মাধ্যমিক পর্যায়ে শুরু হয়েছে পুরোদমে শ্রেণি কার্যক্রম। এতোদিন স্কুল-কলেজে সীমিত পরিসরে ক্লাস চলছিল। অন্যদিকে টানা দুই বছর বন্ধ থাকার পর প্রাক-প্রাথমিকেও সশরীরে পাঠদান শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) পুরোদমে ক্লাস চালু হওয়ায় সকাল থেকেই উৎসবমুখর স্কুল-কলেজ আঙিনা।  শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক সবার মধ্যেই দেখা গেছে খুশির আমেজ।

রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। পুরোদমে ক্লাস চালু হওয়ায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থী। স্কুলের সামনে সামনে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের ভিড়। সময়ের আগে অনেকেই এসেছেন স্কুলের ফটকের সামনে। সেখানে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে কুশল বিনিময় করছেন।

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পা রেখেই আনন্দে মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা। স্কুলপ্রাঙ্গণ আবারও মুখরিত সেই চিরচেনা অবয়বে। 

 

 

শিক্ষার্থীরা বলছেন, অনেকদিন পর পুনরায় সব ক্লাসের বন্ধুদের পেয়েছি। খুবই ভাল লাগছে। করোনার কারণে আমরা এতদিন সবাই মিলে ক্লাসে আসতে পারিনি। এখন থেকে পারবো। খেলতেও পারবো। একসাথে স্কুলে আসতে পারবো। আবার একসঙ্গে বাসায় যেতেও পারবো।

শিক্ষকরা বলছেন, সব শ্রেণির শিক্ষার্থী আসায় পুরনো চেহারায় ফিরেছে শিক্ষাঙ্গন। দীর্ঘদিন পর এটি হওয়ায় তারা খুবই আনন্দিত।

ইস্পাহানি গ্লার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাদেকা বেগম বলেন, ‘আবারও আগের চেহারায় ফিরলো স্কুল। বিষয়টি একজন শিক্ষক হিসেবে আমার জন্য আনন্দের।’

 

ইস্কাটন গার্ডেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি ভাবলেই অবাক লাগে, গত দুই বছর আমরা স্বাভাবিক শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নিতে পারিনি। আজ আবার সেই আগের অবস্থায় ফিরলো স্কুল। বিষয়টি নিয়ে আমি খুবই আনন্দিত।’

প্রভাতী বিদ্যানিকেতনের সিনিয়র শিক্ষক পুলিং মালাকার বলেন, ‘ আজ মনে হচ্ছে দুই বছর আগের দিনে ফিরে গেলাম। এই পরিস্থিতি যেন বজায় থাকে এই জন্য আমি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করবো।’