বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ সন্ধ্যা ০৬:০৪
৭৪৫
আকতারুল ইসলাম আকাশ।। ভোলা জেলার সাত উপজেলার প্রায় দেড় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার। প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি মাস এলে কিছু কিছু এলাকায় সচেতন মহলের উদ্যোগে বাঁশ ও কলা গাছের অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করে শহীদ দিবস পালন করা হয়। এতে পল্লী অঞ্চলের মানুষ জানেনা শহীদ দিবস কি? এতে করে একদিকে ৫২ ভাষা আন্দোলন ও ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এসকল অঞ্চলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। জানা গেছে, জেলায় ৭ উপজেলায় মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১ হাজার ৬১৭ টি। এর মধ্যে কলেজ রয়েছে ৪৩ টি, মাধ্যমিক ও নিম্ম মাধ্যমিক ২৬৪ টি, মাদ্রাসা ২৪৬ টি ও প্রাথমিক বিদ্যালয় ১০৪৭ টি।
ভোলা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভোলা সদর উপজেলায় শহীদ মিনার রয়েছে ৩৫ টি, দৌলতখানে ১৫ টি, বোরহানউদ্দিনে ১৫টি, তজুমদ্দিনে ১০ টি, লালমোহনে ২০ টি, চরফ্যাশনে ৩০ টি এবং মনপুরা উপজেলায় ৯ টিসহ ছোট বড় মোট ১৩৪টি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার রয়েছে। বাকি ১ হাজার ৪৮৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আবার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ জানে না ভাষা আন্দোলন ও শহীদ দিবস কি? বাঙালি জাতিসত্তার গৌরবোজ্জল ও স্মৃতি বিজড়িত বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিস্বরণে প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি সারাবিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। সরকারি ছুটির দিন হলেও দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয় খোলা থাকে এই দিনে।
ভাষা শহীদের স্মরণে সর্বস্তারের মানুষ একুশে ফেব্রুয়ারি প্রভাতফেরিতে বের হন শহীদ মিনারে ফুল দিতে। যেসব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই। সেখানে তৈরি করা হয় অস্থায়ী শহীদ মিনার। ভাষা শহীদদের স্মরণে বিদ্যালয়গুলোতে দিনব্যাপী আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শিক্ষা কর্মকর্তা সবাই মিলে বিদ্যালয়গুলোতে উদযাপন করে থাকেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভোলা সদর উপজেলার ১৫ নং দক্ষিণ চরপাতা সেলিনা সুলতানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০০। শিক্ষার্থীরা জানান, তাঁদের বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই। বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী রকি জানান, ২১শে ফেব্রুয়ারি তাঁরা বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ নেয়। কিন্তু, বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শহীদ মিনার না থাকায়। ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো হয় না।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক তাছনুর বেগম জানান, জায়গা না থাকায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শহীদ মিনার তৈরি করা যাচ্ছে না। এ চিত্র শুধু সেলিনা সুলতানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই নয়। জেলার ১ হাজার ১৬ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই শহীদ মিনার নেই। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র হালদার বলেন, যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। সেসকল প্রতিষ্ঠানের প্রধানদেরকে বলা হয়েছে নিজেদের উদ্যোগে ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা নিয়ে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য।
আর যাঁদের নির্মাণের সামর্থ্য নেই তারা যেনো আশেপাশে যেখানে শহীদ মিনার নির্মাণ করা আছে সেখানে গিয়ে শহীদদের সম্মান জানায়। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাধব চন্দ্র দে বলেন, জেলার অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। তাঁর জানা মতে শহীদ মিনার নির্মাণের সরকারি কোন ফান্ড (তহবিল) না থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠানে তা নির্মাণ করা হচ্ছে না।
ভোলায় যৌথ অভিযানে নকল সিগারেট জব্দ
ভোলায় ২০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুক কর্নার স্থাপনে বুকশেলফ বিতরণ, উপকৃত প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী
মনপুরায় খেলতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু
ভারতীয় হাই কমিশনের পহেলা বৈশাখ উদযাপন
রাত ৩টা পর্যন্ত অফিশিয়াল কাজ করেছেন প্রধানমন্ত্রী
সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও ডাটাবেজ তৈরি হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী
৯০০ জনের লড়াই, বিএনপিতে কপাল খুলছে কোন ৩৬ নারীর?
সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বাড়লো ২১২ টাকা
প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক