অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৪ঠা জুন ২০২৬ | ২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


বাংলাদেশে ‌‘একটি বড় হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে মন্তব্য, মমতার বিরুদ্ধে মামলা


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪ঠা জুন ২০২৬ বিকাল ০৫:৫৫

remove_red_eye

২৯

বাংলাদেশে ‌‘একটি বড় হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে মন্তব্য করে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী দেশের সার্বভৌমত্ব ও সুরক্ষা বিঘ্নিত করেছেন। এমন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ইউএপিএ অর্থাৎ দেশদ্রোহিতার একাধিক ধারায় মামলা করেছেন শিলিগুড়ির আইনজীবী রিঙ্কি সিং।

এ বিষয়ে আইনজীবী রিঙ্কি সিং বলেন, মমতা ব্যানার্জী যখন মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন, তখন তিনি শপথ নিয়েছিলেন যে দেশের সুরক্ষা, সার্বভৌমত্ব ও সংহতি রক্ষা করবেন। কিন্তু তার বক্তব্যে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খারাপ হতে পারে।

গত ২ মে মমতা ব্যানার্জী এক বক্তব্যে নাম উল্লেখ না করে বলেন, ‘বাংলাদেশে কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন জানি’। ওই মন্তব্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্সের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে এসটিএফ অ্যারেস্ট করেছিল জেনে রাখুন, যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক রেভল্যুশন হয়েছিল। অন্য দেশের কথা আমি বলছি না, আমার সেই অধিকার নেই, কিন্তু আমার মুখ্য বক্তব্য হলো, তারা মেঘালয় দিয়ে বাংলায় চলে আসে। তখন আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে।

এই বক্তব্যে তিনি যে ঘটনাক্রম উল্লেখ করেছেন, সেই ঘটনাক্রমে তিনি বাংলাদেশের শহীদ ওসমান হাদির কথা বলেছেন বলে মনে করছে ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন মহল।

তবে এ ঘটনার সঙ্গে তিনি ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম জড়িয়ে বলেন, হোম মিনিস্টার নিজে আমাকে ফোন করে বলেন... আপনি বেঙ্গল পুলিশকে বলে দিন এই কথা যেন বাইরে না যায়। এটা দেশের স্বার্থে।

এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করে রিঙ্কি সিং বলেন, ভারত তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়। মমতা ব্যানার্জী দেশের সুরক্ষার ক্ষেত্রে এক বড় বিপদের জন্ম দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, এই মন্তব্যের ফলে বাংলাদেশে ভারত বিরোধী শক্তি সক্রিয় হতে পারে এবং বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা অরক্ষিত হয়ে পড়তে পারেন। সোমবার হাইকোর্ট খুললেই তিনি মমতা ব্যানার্জীর গ্রেফতারির জন্য আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন রিঙ্কি সিং।এরই মধ্যে তিনি শিলিগুড়ি সাইবার থানায় মমতা ব্যানার্জীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। যে আইনে তিনি মামলা করেছেন, সেই ইউএপিএ হলো মূলত সন্ত্রাস দমন আইন। এই আইন জামিন অযোগ্য এবং অভিযোগ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে জেল হেফাজতে রাখা যায়।