অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ১৮ই জানুয়ারী ২০২২ | ৫ই মাঘ ১৪২৮


ভোলায় ঝরেপড়া শিক্ষার্থীর জন্য চালু হলো ১৪০ শিখন কেন্দ্র


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ই ডিসেম্বর ২০২১ রাত ১০:৫২

remove_red_eye

৭৪





অমিতাভ অপু :  ভোলায় করোনাকালীনসহ গত দুই বছরে প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেনি  পর্যায়ে ঝরেপড়ছে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষার্থী। এই সব শিক্ষার্থীদেও মধ্যে  আউট অব স্কুল চিলন্ডেন কর্মসূচির আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৪ হাজার ২শ শিক্ষার্থীকে  স্কুল মুখি করতে চালু করা হয়েছে ১৪০টি শিখন কেন্দ্র। মঙ্গলবার ভোলা সদওে ৪৫ কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। চরফ্যাশনে করা হয় ৯৫টি কেন্দ্র। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান অতিথি সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ আলী রেজা,  সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান, উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থার সহকারী পরিচালক ফরহাদ হাসান আজাদ,  উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার জিহাদ হাসান, ইউপি চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন মনছুর ও প্রেসক্লাব সম্পাদকসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের পাশপাশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।  অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এজাজুল হক। উদ্বোধনের পর পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ করা হয়।  উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের জিও’র আলী হাওলাদার বাড়ির শিখন কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা জানায়, এমন কেন্দ্র চালু হাওয়ায় তারা খুশি। অভিভাবকরা জানান, স্কুল থেকে ঝওে পড়া শিক্ষার্থীরা আবার লেখা পাড়া করার সুযোগ পাচ্ছে। এটা তাদেও কাছে বড় পাওয়া বলেও মনে করেন তারা। ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই সব কেন্দ্রে ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সিদের হাতে কলমে শিক্ষা দেয়া হবে বলে জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান দ্বীপ উন্নয়ন সোসাইটির ম্যানেজিং ডাউরেক্টর মোঃ ইউনুছ । তিনি জানান , এক বছর অঅগে দুই দফা জরিপ করে ঝওে পড়া শিক্ষার্থী বাছাই করেন। প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা এই শিক্ষার্থী নিশ্চিত করেন। উপ-আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সহকারী পরিচালক আজাদ জানান, দেশ ব্যাপী এমন ৩ লাখ শিক্ষার্থীকে শিখন কেন্দ্রে আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে এক লাখ শিক্ষার্থী সুযোগ পাচ্ছে। পর্যায় ক্রমে অন্যদের কেন্দ্রে আনা হবে।
ভোলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, মাধ্যমিক পর্যায়ে বিভিন্ন কারনে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে।  এদের অনেকে কর্মসূখি হয়ে যায়। এদের  লেখা পাড়ার মধ্যে আনার উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান। এসিল্যান্ড মোঃ আলী সুজা জানান, ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদেও জন্য মৌসুমী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। শিক্ষন কেন্দ্র তার একটি হবে বলেও তিনি মনে করছেন। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ থেকে জানা যায়, করোনাকালীন সময়ে শুধু মাত্র ৫ম শ্রেনিতেই ঝরে পড়ে ১০ হাজার শিক্ষার্থী । ওই দফতরে গেল দুই বছরে ৩০ হাজার শিক্ষার্থীও কোন হদিস নেই। ফলে ঝওে পড়া শিক্ষার্থীও খুজে বেড় করে তাদের কর্মমুখি শিক্ষা ব্যবস্থা করার দাবি জানান ইউপি চেয়ারম্যান মনসুর ।