অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ১৮ই জানুয়ারী ২০২২ | ৫ই মাঘ ১৪২৮


চরফ্যাশনে প্রাইভেট পড়ে বাসায় ফেরার পথে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ


চরফ্যাসন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০ই ডিসেম্বর ২০২১ রাত ১০:৩০

remove_red_eye

৮৩

 চরফ্যাশন প্রতিনিধি : ভোলার চরফ্যাশনের নাংলাপাতা গ্রামে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়ে বাসায় ফেরার পথে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়–য়া ৮ বছরের এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে তোফায়েল হাজী (৫৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তোফায়েল হাজী উপজেলার নাংলা পাতা গ্রামের নসু খাঁনের ছেলে।  সে চর কলমী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি।
ঘটনার পর রাতেই ভিক্টিম পরিবার বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আবু আব্দুল্লাহ খানকে অবগত করলে তিনি ভিক্টিমকে হাসপাতালে ভর্তি করে শশীভূষণ থানায় মামলা করার পরামর্শ দেন। ভিক্টিম শিশুটি বর্তমানে চরফ্যাশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
ভিক্টিমের মা অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়ে বাসায় ফেরা কালে  তোফায়েল হাজী তার মেয়েকে সুপারী বাগানের টংঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। সহপাঠি এক শিক্ষার্থী বিষয়টি দেখতে পেয়ে ভিক্টিমের নানীকে জানালে তিনি ওই টং ঘর থেকে ভিক্টিমকে উদ্ধার করেন। পরে ভিক্টিমের পরিবার বিষয়টি স্থানীয়দের জানান, এবং রাতেই তাকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আবু আব্দুল্লাহ খানের কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।  
শশীভূষণ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান পাটোয়ারী জানান, তিনি বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালে গিয়ে ভিক্টিমকে দেখে এসেছেন  এবং পরিবারের সাথে কথা বলে তাদেরকে থানায় গিয়ে অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দিয়ে এসেছেন। লিখত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আবু আব্দুল্লাহ খান বলেন, শিশুটিকে তার মা এবং নানী আমার কার্যালয়ে নিয়ে আসেন এবং তোফায়েল হাজি নামক জনৈক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে শিশুটিকে ধর্ষনের অভিযোগ করেন। আমি শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বলেছি এবং অভিযোগ সঠিক হলে থানায় মামলা করার পরমর্শ দিয়েছি।
চরফ্যাশন হাসপাতালের সিনিয়র ষ্টাফ নার্স ফারজানা ইয়াছমিন জানান, শিশুটির অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে সে একাধিক বার ধর্ষনের শিকার হতে পারে।
অভিযুক্ত তোফায়েল তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন- ভিক্টিম সম্পর্কে তার নাতনি। প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার সময় নানা হিসেবে দুষ্টুমি করে সে হাজি ফাজি বলায় তাকে একটা চড় মারি। এর পর আমার প্রতিপক্ষরা ষড়যন্ত্র করে ওই পরিবারটিকে আমার বিরুদ্ধে মামলা করতে উসকানী দিচ্ছে।