অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭ই আশ্বিন ১৪২৮


লালমোহনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ভার্মি কম্পোস্ট সার


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২১ রাত ০৯:৪৮

remove_red_eye

১৩৫

লালমোহন প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহনে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ভার্মি কম্পোস্ট সার। যা স্থানীয়ভাবে কেঁচো সার হিসেবে সুপরিচিত। ২০১৫ সালে উপজেলা কৃষি অফিসের এসএসিপি প্রকল্পের মাধ্যমে ১ দিনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ২০ জন কৃষক-কৃষানীকে নিয়ে প্রাথমিকভাবে শুরু হয় এ সার উৎপাদন। বর্তমানে উপজেলায় ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনকারীর সংখ্যা রয়েছে তিন শতাধিক। যারা গোবর, গৃহস্থলীর আবর্জনা ও কেঁচো দিয়ে এ সার উৎপাদন করছেন। পরিপূর্ণ সার হতে সময় লাগে ২০-২৫ দিন। আর প্রতি কেজি ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো) সার বিক্রি করা হচ্ছে ১০-১৫ টাকা। প্রতি কেজি এ সার উৎপাদন করতে কৃষকদের খরচ হয় মাত্র ২-৩ টাকা।
ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহারের ফলে মাটির উর্বরশক্তি ও পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, পোকা-মাকড়ের আক্রমন কম হয়, রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার হ্রাস পায়, পরবর্তী ফসলে সারের পরিমান তুলনামূলক কম প্রয়োজন হয় ও এ সার ব্যবহারে পরিবেশ থাকে দূষণমুক্ত।
কয়েকজন ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনকারী জানান, প্রথমে কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এ সারের উৎপাদন শুরু করি আমরা। বর্তমানে এ সারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। যা জেলার বিভিন্ন উপজেলাতে বিক্রি করা যাচ্ছে। এখানে সল্প পুঁজিতে অধিক লাভবান হওয়া সম্ভব। সরকারিভাবে ঋণের ব্যবস্থা করা হলে এ সার উৎপাদন আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।
এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এএফএম শাহাবুদ্দিন বলেন, আমাদের এসএসিপি প্রকল্পের মাধ্যমে এখানের কৃষক-কৃষানীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে উদ্বুদ্ধকরা হয়। যার ফলে বর্তমানে এ উপজেলায় ব্যাপক জনপ্রিয় উঠছে ভার্মি কম্পোস্ট সারের উৎপাদন ও ব্যবহার। এছাড়াও ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন টেকসই করতে ভার্মিকম্পোস্টর সেপারেটর সরবারহ ও ঋণ সুবিধা প্রাপ্তির জন্য সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।