অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ১২ই মে ২০২৬ | ২৯শে বৈশাখ ১৪৩৩


বিলুপ্তির পথে দেশীয় প্রজাতির মাছ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯শে জুলাই ২০২১ ভোর ০৪:৫৯

remove_red_eye

১০৩৯

 

এম শরীফ আহমেদ : দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন ছোট-বড় মাছ বিলুপ্তির পথে। হারিয়ে যাওয়া ওইসব মাছের স্বাদ ভুলে যাচ্ছে মানুষরা। কয়েক বছর আগেও জেলার বিভিন্ন এলাকার ছোট-বড় নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবায় এবং ফসলী ক্ষেতে প্রচুর দেশীয় প্রজাতির মাছ পাওয়া যেতো।

একশ্রেণীর মানুষ মাছ ধরাকে তাদের পেশা হিসেবে নিয়েছিল। কিন্তু যত্রতত্র মাছ আর পাওয়া না যাওয়ায় সে জেলেরা বর্তমানে বিভিন্ন রকম পেশা বেছে নিয়েছে। বিলুপ্ত হওয়া মাছের মধ্যে রয়েছে, ঢেলা, পাবদা, দাড়কানা, কৈ, তিন কাঁটা আইড়, তেলটুপি, গাড্ডু টাকি, ভেদা, মাগুড়, বড় শৈল প্রভৃতি।

ইদানীং পুঁটি, জাতটাকি, চিংড়ি, তিতপুঁটি, টেংরা, জিয়ল শিং, চান্দা, বাইম মাছগুলোও হাটবাজারে তেমন চোখে পড়ে না। মাঝেমধ্যে পাওয়া গেলেও দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।

এক সময় ভোলার বিভিন্ন  উপজেলার গ্রামের অনেক পরিবারের প্রধান পেশা ছিল মাছ ধরা। কিন্তু এখন বিলে পানি না থাকায় আর মাছের সেই জৌলুস নেই।জেলার মনপুরা উপজেলার  ৮০ বয়সের বৃদ্ধ  কিসমত আলী কিশোর বয়স থেকেই মাছ ধরাকে পেশা হিসেবে নিয়েছিল। বিল থেকে মাছ ধরে হাটবাজারে বিক্রির মাধ্যমেই  কিসমত আলী তার সংসার চালাতো।

তিন মেয়ে-চার ছেলেকে সে মাছ ধরেই বড় করেছে।৮/১০ বছর ধরে মাছ তেমন পাওয়া যায় না বলে জানায়। তার মতে এক যুগের মধ্যে কমপক্ষে ১০-১২ প্রকারের দেশীয় প্রজাতির মিঠা পানির মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে এক সাক্ষাতকারে ভোলা সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক মোঃ মোমেন মিঞা জানান, দেশীয় প্রজাতির মাছ যত্রতত্র ডিম ছেড়ে বংশ বিস্তারের মাধ্যমে বড় হয় কিন্তু গ্রামের গরিব নিম্নবিত্ত মানুষরা শুষ্ক মৌসুমে সামান্য পানি থাকা ডোবাগুলো সেচে সকল মাছ নির্বিচারে ধরার ফলে মাছের বংশ বিস্তারে চরম বিঘ্ন ঘটে।

আবার ফসলী জমিতে প্রচুর কীটনাশক প্রয়োগ করায় পানি দূষিত হয়ে মাছের মৃত্যু, রোগবালাই বৃদ্ধি এবং প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হচ্ছে, ফলে পরবর্তী বছরে পর্যায়ক্রমে দেশীয় মাছ আর পাওয়া যায় না। মাঝেমধ্যে দুচারটি পাওয়া গেলেও দাম আকাশচুম্বি। এক্ষেত্রে বাজার দখল করেছে বিদেশী কার্প জাতীয় বিভিন্ন মাছ।

বিভিন্ন হাটবাজারে বিদেশী কার্প জাতীয় ছোট মাছ ১৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে দেশীয় প্রজাতির যে কোনো মাছ হলেই সেটা ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। মূলত খাল-বিল নদী-নালা ডোবায় পানি সবসময় না থাকা এবং মৎস্য আইন প্রয়োগ না হওয়ায় দিন দিন ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন  উপজেলায় বিভিন্ন এলাকা থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে।





ভোলার ধনিয়ায় ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত

ভোলার ধনিয়ায় ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত

ভোলার ধনিয়া কিশোরী ক্লাব গঠন ও মতবিনিময় সভা

ভোলার ধনিয়া কিশোরী ক্লাব গঠন ও মতবিনিময় সভা

উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে ইউজিসির কর্মশালা আগামীকাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে ইউজিসির কর্মশালা আগামীকাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অপরাধীর পরিচয় কেবলই অপরাধী, রাজনৈতিক পরিচয় নয়: প্রধানমন্ত্রী

অপরাধীর পরিচয় কেবলই অপরাধী, রাজনৈতিক পরিচয় নয়: প্রধানমন্ত্রী

অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখতে পুলিশের প্রতি নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখতে পুলিশের প্রতি নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরো জনবান্ধব করবে : মির্জা ফখরুল

নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরো জনবান্ধব করবে : মির্জা ফখরুল

কন্যাশিশুদের বিকাশে রাষ্ট্রকে সহায়ক শক্তি হতে হবে: ডা. জুবাইদা

কন্যাশিশুদের বিকাশে রাষ্ট্রকে সহায়ক শক্তি হতে হবে: ডা. জুবাইদা

ভিন্নমতের ঊর্ধ্বে উঠে পুলিশ সদস্যদের একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ভিন্নমতের ঊর্ধ্বে উঠে পুলিশ সদস্যদের একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করবো না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো :  ধর্মমন্ত্রী

সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করবো না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো : ধর্মমন্ত্রী

আরও...